নয়াদিল্লি: ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো পাকিস্তান-ভিত্তিক গ্যাংস্টার শেহজাদ ভট্টির (Shahzad Bhatti)নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, ভট্টি আইএসআই-এর সঙ্গে যুক্ত এবং সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে ভারতীয় যুবকদের নিয়োগ ও প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন রাজ্যে রেড ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটছে।জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ), দিল্লি পুলিশ স্পেশাল সেল, মহারাষ্ট্র এটিএস এবং পাঞ্জাব পুলিশ এই নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছে।
এনআইএ পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় একাধিক স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে। দিল্লি পুলিশ একাধিক অপারেটিভকে গ্রেফতার করেছে (Shahzad Bhatti)। মহারাষ্ট্রে এটিএস সামাজিক মাধ্যমে ভট্টির সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে বহু ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভট্টি সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে ব্যবসায়ী ও সামাজিক কর্মী হিসেবে তুলে ধরেন। কিন্তু ভারতীয় সংস্থাগুলো তাঁকে গ্যাংস্টার থেকে সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কের পরিচালক হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
আরও দেখুনঃ বাদল অধিবেশন শেষ হলেই ডিলিমিটেশনের জন্য বিশেষ অধিবেশন ডাকার সম্ভাবনা
তাঁর নেটওয়ার্ক অস্ত্র ও মাদক পাচার, নজরদারি এবং স্থানীয় যুবকদের ছোটখাটো কাজে নিয়োগের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। কিছু ক্ষেত্রে নাবালকদেরও ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে পাঞ্জাব পুলিশের এক অভিযানে যন্তরমন্তরে বিক্ষোভের সময় পেট্রল বোমা সংক্রান্ত পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছিল, যেখানে আইএসআই-সমর্থিত মডিউলের কথা বলা হয়েছে। অন্যান্য মামলায়ও ভট্টির (Shahzad Bhatti)নাম এসেছে। সংস্থাগুলো বলছে, সামাজিক মাধ্যমে প্রচার ও যোগাযোগের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হচ্ছে।
মহারাষ্ট্রে কিছু স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ এবং অন্যান্য মামলায় গ্রুমিং সংক্রান্ত তদন্তের খবরও বেরিয়েছে। তবে সব অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তবে নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি আরও বড় হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
আরও দেখুনঃ যুদ্ধবিরতি চেয়েছিল পাকিস্তান, ঝুলিয়ে রাখে ভারত! ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে প্রাক্তন সিডিএস
সামাজিক মাধ্যমে এ ধরনের ব্যক্তিত্বকে আদর্শ করা বা অনুসরণ করার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, বেকারত্ব বা অন্যান্য অসন্তোষ কাজে লাগিয়ে যুবকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সংস্থাগুলো সামাজিক মাধ্যম পর্যবেক্ষণ জোরদার করেছে এবং সন্দেহজনক যোগাযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে।
