Divyastra Mk1: ককেশাস অঞ্চলে আবারও জোরদার হয়েছে অস্ত্র প্রতিযোগিতা, আর এই তৎপরতার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ভারতের তৈরি অত্যাধুনিক এক অস্ত্র। ভারত থেকে ‘পিনাকা’ মাল্টিপল রকেট লঞ্চার সংগ্রহের পর, আর্মেনিয়া এখন ভারতের ‘দিব্যাস্ত্র এমকে-১’ (Divyastra Mk1) লোইটারিং মিউনিশন বা ড্রোন সংগ্রহের দিকে নজর দিচ্ছে। এই সম্ভাব্য চুক্তিটি নিয়ে আজারবাইজানের সংবাদমাধ্যমে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কঠোর প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
লখনউ-ভিত্তিক কোম্পানি ‘হোভারিট’ (Hoverit) এই ড্রোনটি তৈরি করেছে; ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার মধ্যে নিখুঁতভাবে আঘাত হানার সক্ষমতা এবং ১৫ কেজি পেলোড বহনের ক্ষমতা এটিকে অত্যন্ত বিধ্বংসী এক অস্ত্রে পরিণত করেছে। এই ব্যবস্থাটি ‘ড্রোন সোয়ার্ম’ প্রযুক্তিসম্পন্ন, যার অর্থ হলো এতে একই সাথে একাধিক ড্রোন বা ইউনিট মোতায়েন করা সম্ভব, আর এই কারণেই এটিকে ভারতের ‘বহুমুখী ও স্বয়ংক্রিয় কৌশলগত আঘাত হানার ব্যবস্থা’ (multi-role autonomous tactical strike system) হিসেবে অভিহিত করা হয়। আর্মেনিয়া যদি এটি সংগ্রহ করে, তবে ককেশাস অঞ্চলের কৌশলগত সমীকরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।
৫০০ কিলোমিটার পাল্লা এবং ১৫ কেজি পেলোড-সহ ‘দিব্যাস্ত্র’ Mk1 ঠিক কতটা শক্তিশালী?
- লখনউ-ভিত্তিক কোম্পানি ‘হোভারিট’ (Hoverit) ‘দিব্যাস্ত্র’ Mk1 তৈরি করেছে; তারা এটিকে একটি বহুমুখী ও স্বয়ংক্রিয় কৌশলগত আঘাত হানার ব্যবস্থা (multi-role autonomous tactical strike system) হিসেবে অভিহিত করেছে।
- এই ড্রোনটির সর্বোচ্চ পাল্লা ৫০০ কিলোমিটার। এটি একটানা ৫ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম।
- এটি ১৫ কেজি ওজনের পেলোড বহন করতে পারে এবং লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার সময় এর গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকে। এই বৈশিষ্ট্যটি এটিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক করে তোলে।
- এই ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় এবং এতে ‘সোয়ার্ম’ (দলবদ্ধভাবে কাজ করার) সক্ষমতা রয়েছে; অর্থাৎ, এই ড্রোনগুলো একটি দল বা ঝাঁক হিসেবে শত্রুর লক্ষ্যবস্তুর ওপর সমন্বিত আক্রমণ চালাতে পারে।
- এই ব্যবস্থাটি ‘কৌশলগত লোইটারিং মিউনিশন’ (tactical loitering munition) হিসেবে পরিচিত, যা সহজেই নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং নিখুঁত আঘাত হানার অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম।
