কলকাতা: মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু দমনে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করতে চলেছে ভারত। জাপানি ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা তাকেডা (Takeda)-র তৈরি ডেঙ্গু টিকা ‘কিউডেঙ্গা’ (QDENGA) ভারতের সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (CDSCO)-র অনুমোদন পেয়েছে। ডক্টর রেড্ডি’স ল্যাবরেটরিজ (Dr. Reddy’s Laboratories)-এর সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের প্রথমার্ধেই এই টিকা দেশের বেসরকারি বাজারে উপলব্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কিউডেঙ্গা (QDENGA) আসলে কী এবং কারা এই টিকা নিতে পারবেন?
কিউডেঙ্গা (যা TAK-003 নামেও পরিচিত) হলো একটি লাইভ-অ্যাটেনুয়েটেড টেট্রাভ্যালেন্ট ডেঙ্গু ভ্যাকসিন। এটি ডেঙ্গুর চারটি স্ট্রেন বা সেরোটাইপ (DENV-1, DENV-2, DENV-3 এবং DENV-4)-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সক্ষম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২০২৪ সালেই এই টিকাকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
৩ মাসের ব্যবধানে এই টিকার দুটি ডোজ নিতে হয়। বিশেষ বিষয় হলো, টিকা নেওয়ার আগে কোনো ব্যক্তির পূর্বে ডেঙ্গু হয়েছিল কি না তা পরীক্ষার প্রয়োজন নেই।
ভারতের সিডিএসসিও (CDSCO)-এর অনুমোদন অনুযায়ী, ৪ থেকে ৬০ বছর বয়সি ব্যক্তিরা এই টিকা নিতে পারবেন। তবে প্রাথমিকভাবে এটি সরকারি টিকাকরণ কর্মসূচির পরিবর্তে শুধুমাত্র বেসরকারি বাজারেই পাওয়া যাবে।
দেশীয় টিকা ‘ডেঙ্গিঅল’ (DengiAll)-এর সঙ্গে তফাত কোথায়?
কিউডেঙ্গার পাশাপাশি ভারতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘ডেঙ্গিঅল’ নামের আরেকটি ডেঙ্গু টিকা নিয়ে গবেষণা চলছে।
কিউডেঙ্গা: এটি তাকেডার তৈরি এবং ইতিমধ্যেই সিডিএসসিও-এর অনুমোদন পেয়েছে (জুলাই ২০২৬)। ২০২৭-এর প্রথমার্ধে এটি বাজারে আসার অপেক্ষায়।
ডেঙ্গিঅল: এটি ভারতের নিজস্ব ডেঙ্গু টিকা প্রার্থী, যা বর্তমানে বড়ো আকারের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বা পরীক্ষার স্তরে রয়েছে। এর সুরক্ষা ও কার্যকারিতা যাচাই হওয়ার পরেই চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়টি নির্ভর করছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থান পেল না! ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়ে সসম্মানে কেন জিন্নাহর ছবি?
পরীক্ষায় চ্যাটজিপিটি ব্যবহার: শিক্ষকের হাতে ধরা পড়ে আত্মঘাতী আইআইটি বোম্বের ছাত্র
