রাঁচি: ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলন এখন নতুন মোড় নিয়েছে। (Jharkhand)ছাত্র নেতা রবীন্দ্র পাসওয়ান কংগ্রেস-জেএমএম সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়েছেন। ১৮ আগস্টের মধ্যে দাবি মেনে না নিলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, জেএসএসসি-র ফল বাতিল করতে হবে, টিডিপিএল এজেন্সির সব পরীক্ষা বাতিল করতে হবে এবং অবিলম্বে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিতে হবে।
এসব না হলে ২০ আগস্ট লাখো ছাত্র-যুবক মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের বাসভবন ঘেরাও করবে। (Jharkhand)আগামীকাল সরকার, মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, রাহুল গান্ধী এবং সমর্থক দলগুলোর প্রতীকি পুতুল পোড়ানো হবে।রবীন্দ্র পাসওয়ান জেপিএসসি-জেএসএসসি রিফর্ম মঞ্চের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। রাঁচিতে চলতি বিক্ষোভ ইতিমধ্যেই ২২ দিন পেরিয়ে গেছে। ছাত্ররা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসছিলেন।
আরও দেখুনঃ বন্দে মাতরমে সোনিয়ার অভব্য আচরণ! ক্ষমা চাইতে বললেন বঙ্কিমের বংশধর নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক
কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সন্তোষজনক সাড়া না পাওয়ায় এখন মনোভাব বদলেছে। (Jharkhand)পাসওয়ান বলেছেন, গান্ধীবাদী পদ্ধতি আর চলবে না। এখন ভগৎ সিংয়ের পথে হাঁটতে হবে। দাবি মেটানোর জন্য গুলি খেতেও তাঁরা প্রস্তুত।দাবিগুলো স্পষ্ট। জেএসএসসি সিজিএল পরীক্ষার ফল বাতিল করতে হবে। টিডিপিএল এজেন্সির মাধ্যমে নেওয়া সব পরীক্ষা বাতিল করতে হবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি সব অনিয়মের তদন্ত সিবিআইকে দিয়ে করাতে হবে।
ছাত্রদের অভিযোগ, নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। (Jharkhand)প্রশ্নপত্র ফাঁস, অযোগ্য প্রার্থী বাছাইসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। টিডিপিএল এজেন্সির নাম বারবার সামনে এসেছে। ছাত্ররা বলছেন, রাজ্যের সংস্থা দিয়ে তদন্ত হলে সত্য বের হবে না। তাই কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআইয়ের তদন্তই চাই।সরকার আগে কিছু দাবি মেনে নিয়েছে বলে দাবি করেছিল। কয়েকটি জেপিএসসি পরীক্ষা বাতিলের কথা বলা হয়েছিল।
আরও দেখুনঃ হাসিনাকে ফিরিয়ে না দেওয়ারও একাধিক আইন আছে! বাংলাদেশকে পাল্টা ভারতের
কিন্তু মূল দাবিগুলো অপূর্ণ রয়ে গেছে। পাসওয়ান অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে সরকারের পাশেই দাঁড়িয়ে আছেন। তাই রাহুল গান্ধীর প্রতীকি পুতুলও পোড়ানো হবে।আগামীকাল রাজ্যের ২৪টি জেলা সদরে এবং রাঁচিতে পুতুল পোড়ানোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
২০ আগস্ট মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাও করার পরিকল্পনা। (Jharkhand)লাখো ছাত্র-যুবক সেখানে জড়ো হবে এবং দাবি না মেটা পর্যন্ত অবস্থান করবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। পাসওয়ান বলেছেন, এখন আর অনুরোধ নয়, লড়াই। ‘নৌকরি চোর, গদ্দি ছোড়’ এই স্লোগানই এখন আন্দোলনের মূলমন্ত্র।
