নয়াদিল্লি: ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তৈরি হওয়া শক্তিশালী ‘এল নিনো’ (El Nino) আরও ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে চলেছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO)-র সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই জলবায়ুগত বদল সম্ভবত ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রের তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই ওপরে রয়েছে এবং আগামী মাসগুলিতে তা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরাস একে ‘গডজিলা এল নিনো’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়া ও উষ্ণতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
উষ্ণতার চরম প্রভাব ও ভারতের আবহাওয়া
চলতি বছর মে থেকে জুলাই মাসেই স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা দেড় থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। ডব্লিউএমও-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনো পরিস্থিতি বজায় থাকার সম্ভাবনা প্রায় ১০০ শতাংশ। এর প্রভাবে চলতি বছরের শেষ দিকে শীতের মরশুমে ভারতে সোয়েটার পরার প্রয়োজনই পড়বে না কি না, সেই প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে। তবে আবহাওয়াবিদদের মতে, এল নিনোর তীব্রতা একা ভারতের আবহাওয়া নির্ধারণ করে না; এর পাশাপাশি ভারত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর এবং স্থানীয় বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির ওপরেও অনেক কিছু নির্ভর করে।
আগাম প্রস্তুতির কড়া নির্দেশ ও সতর্কবার্তা
কৃষি, জলসম্পদ, স্বাস্থ্য, জ্বালানি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকেও সরকারের প্রস্তুতি নেওয়ার জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। যদিও শুধুমাত্র এল নিনোর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ভারতের আবহাওয়া বহু আগে থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না, তবুও সম্ভাব্য তীব্র তাপপ্রবাহ ও অস্বাভাবিক আবহাওয়া মোকাবিলার জন্য এখন থেকেই প্রশাসনের সতর্ক থাকা জরুরি।
গাড়ি তুলতে জোরজবরদস্তি নয়! ঋণখেলাপিদের বাইক-গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়া নিয়ে কড়া সুপ্রিম নির্দেশ
আইটিসি-র সিগারেটে ফের মূল্যবৃদ্ধি: মহার্ঘ কোন কোন ব্র্যান্ড?
