বিপদ বাড়ল অপ্রবেশকারীদের! ভারতের সীমান্ত ব্যবস্থায় লেজার ভিত্তিক ডিজিটাল বেড়ার পরিকল্পনা DRDO র

নয়াদিল্লি: ভারতের সীমান্ত সুরক্ষায় এক নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে। (DRDO)প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পরবর্তী প্রজন্মের সীমান্ত ঢাল গড়ে তুলছে।…

drdo-digital-border-fence

নয়াদিল্লি: ভারতের সীমান্ত সুরক্ষায় এক নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে। (DRDO)প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পরবর্তী প্রজন্মের সীমান্ত ঢাল গড়ে তুলছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নত রাডার ও লেজারভিত্তিক ব্যবস্থা নিয়ে এই স্থাপত্য গড়ে উঠছে, যা অনুপ্রবেশকারী ও শত্রু ড্রোন শনাক্ত, ট্র্যাক এবং নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হবে।

Advertisements

ডিআরডিওর ইলেকট্রনিক্স ও কমিউনিকেশন সিস্টেমসের ডিরেক্টর জেনারেল বি কে দাস সম্প্রতি জানিয়েছেন, ভারতের বিশাল ও বৈচিত্র্যময় সীমান্ত শুধু পরিকাঠামো দিয়ে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব নয়। প্রযুক্তির সাহায্যেই তা সম্ভব। সংস্থাটি পুরো নিরাপত্তা শৃঙ্খল জুড়ে কাজ করছে অনুপ্রবেশ শনাক্ত ও ট্র্যাকিং থেকে শুরু করে রিয়েল টাইমে তথ্য পাঠানো এবং প্রয়োজনে শত্রু ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করা পর্যন্ত।এই ব্যবস্থায় থাকছে ফাইবার-অপটিক অনুপ্রবেশ শনাক্তকরণ সিস্টেম, যা বেড়া লাইন বরাবর নড়াচড়া বা হস্তক্ষেপ ধরতে পারে।

   

আরও দেখুনঃ জিনপিংয়ের টেবিলে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা সংস্কার বিল পেশ করলেন মোদী

উচ্চ রেজোলিউশন ও ইনফ্রারেড ক্যামেরা দিয়ে দিন-রাত নজরদারি চলবে। (DRDO)হাইপারস্পেকট্রাল ও মাল্টিস্পেকট্রাল সেন্সর ছদ্মবেশী বস্তু ও উপাদান আলাদা করতে সাহায্য করবে। সিনথেটিক অ্যাপারচার রাডার ও অন্যান্য রাডার ইমেজিং ব্যবস্থা সব আবহাওয়ায় দীর্ঘ দূরত্বের নজরদারি নিশ্চিত করবে।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এআই চালিত অ্যালগরিদম হুমকি শনাক্ত ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করবে।

Advertisements

বন্ধু ও শত্রু আলাদা করার জন্য শক্তিশালী আইএফএফ ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে। নিরাপদ যোগাযোগ নেটওয়ার্ক রিয়েল টাইমে সতর্কবার্তা পাঠাবে, যাতে কমান্ডাররা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারেন।ড্রোন মোকাবিলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রথম প্রজন্মের কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেম ইতিমধ্যে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোতায়েন করা হয়েছে। এই সিস্টেম রাডার ও ইলেকট্রো-অপটিক সেন্সর দিয়ে ড্রোন শনাক্ত করে, হুমকির মাত্রা বিচার করে।

এরপর সফট-কিল পদ্ধতিতে ইলেকট্রনিক জ্যামিং বা স্পুফিং করে নিয়ন্ত্রণ ও নেভিগেশন ব্যাহত করা যায়। প্রয়োজনে হার্ড-কিল হিসেবে ডিরেক্টেড এনার্জি লেজার ব্যবহার করে ড্রোন ধ্বংস করা যাবে।ডিআরডিও বিভিন্ন ক্ষমতার লেজার সিস্টেম তৈরি করেছে এবং আরও উন্নত প্রজন্ম নিয়ে কাজ চলছে।

ড্রোন ঝাঁকের মত (DRDO)পরিস্থিতির জন্য হাই-পাওয়ার মাইক্রোওয়েভ অস্ত্রও তৈরি করা হচ্ছে। সব সেন্সর, রাডার, যোগাযোগ ও লেজার একসঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি সংযুক্ত নেটওয়ার্ক তৈরি করবে। হুমকি শনাক্তের সঙ্গে সঙ্গেই সেকেন্ডের মধ্যে তা মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

Advertisements