নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে (Bambiha gangsters)। ভারতীয় সংস্থাগুলো মালয়েশিয়ায় তিনজন পলাতক ভারতীয় গ্যাংস্টারকে গ্রেফতার করিয়ে দেশে ফেরত আনতে সক্ষম হয়েছে। তাঁদের ভারতে এনে পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতকদের নাম যথাক্রমে জসপ্রীত সিং, অজয় সিং এবং পবনদীপ সিং। তাঁরা বাম্বিহা গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত এবং একাধিক অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত।
এর মধ্যে রয়েছে চাঁদাবাজি, আন্তঃসীমান্ত অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং লুধিয়ানায় (Bambiha gangsters)একটি ব্যর্থ গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা।এই সাফল্য ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রচেষ্টার আরেকটি দৃষ্টান্ত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বক্তব্যে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপদ ও সুরক্ষিত ভারত গড়ার দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে এ বছর এখন পর্যন্ত ৫১ জন কঠোর অপরাধীকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।
আরও দেখুনঃ ৩০ টি বস্তায় প্রায় ৮ লক্ষ ৪০ হাজার সঞ্চয় রেখেই মারা গেল কর্ণাটকের ভিখারিনী হুর
২০২৬ সালেই এত সংখ্যক পলাতক অপরাধীকে দেশে ফেরানো সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্রিয়তা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ফল।বাম্বিহা গ্যাং পাঞ্জাবসহ উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। চাঁদাবাজি, অস্ত্র চোরাচালান ও মাদক পাচারের মতো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে এই চক্রের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। লুধিয়ানায় গ্রেনেড হামলার যে পরিকল্পনা ভেস্তে যায়, সেই ঘটনার সঙ্গেও এই তিনজনের নাম জড়িত বলে অভিযোগ।
তাঁরা দেশ ছেড়ে মালয়েশিয়ায় আত্মগোপন করেছিলেন। (Bambiha gangsters)ভারতীয় সংস্থাগুলোর তৎপরতায় মালয়েশিয়া পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে এবং পরে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়।এই প্রক্রিয়ায় ভারত ও মালয়েশিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক ও আইনগত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পলাতক অপরাধীদের বিদেশে আশ্রয় নেওয়ার প্রবণতা রোধ করতে ভারত সরকার গত কয়েক বছরে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান, রেড কর্নার নোটিস এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে অনেক অপরাধীকে দেশে ফেরানো সম্ভব হয়েছে।
আরও দেখুনঃ বছরের পর বছর পড়ে থাকা পুরোনো সরকারি ফাইল-স্ক্র্যাপ বিক্রি করে ৬০০০ কোটি রোজগার মোদী সরকারের
২০২৬ সালে ৫১ জনকে ফেরানোর তথ্য সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। (Bambiha gangsters)জসপ্রীত সিং, অজয় সিং ও পবনদীপ সিংকে দেশে আনার পর এখন পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এতে বাম্বিহা গ্যাংয়ের অন্যান্য সদস্য ও নেটওয়ার্ক সম্পর্কে নতুন তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
পঞ্জাব পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই মামলাগুলোর তদন্তে যুক্ত থাকবে। চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও মাদক পাচারের মতো অপরাধ সামাজিক নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই এ ধরনের চক্রকে নির্মূল করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
