মিরাট: উত্তর প্রদেশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড বা ATS এক গুরুত্বপূর্ণ অভিযান (Mohammad Zafar)চালিয়েছে। মিরাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ বছর বয়সী মোহাম্মদ জাফরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিহারের পূর্ণিয়া জেলার বাসিন্দা এই যুবক পাকিস্তানভিত্তিক নিষিদ্ধ সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এটিএসের দাবি, জাফর মাদ্রাসার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা সংগ্রহ করতেন এবং সেই অর্থ পাকিস্তানে পাঠানোর চেষ্টা করতেন।
তদন্তে জানা গেছে, তিনি জইশ-ই-মোহাম্মদের (Mohammad Zafar)প্রধান মাসউদ আজহারের বক্তব্য ও উপকরণে প্রভাবিত হয়েছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে সেই ধরনের বক্তব্য শেয়ার করে অন্যদের উসকে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।জাফর এর আগে মিরাটের এক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এটিএস তাঁর কার্যকলাপ নজরে রাখে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি পাকিস্তানি এক হ্যান্ডলারের সংস্পর্শে আসেন এবং জিহাদি কার্যক্রমে সহায়তা করার প্রস্তাব দেন।
আরও দেখুনঃ বাংলা জয়ের পুরস্কার? নীতিনের কেন্দ্রীয় দলের সভাপতি সুনীল বনসল
এরপর হ্যান্ডলার তাঁকে একটি পাকিস্তানি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ দেন, যাতে অর্থ পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। (Mohammad Zafar)গ্রেফতারের পর তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন বা ইউএপিএ-র ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এটিএস জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অনেক তথ্য স্বীকার করেছেন এবং তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ উপকরণও উদ্ধার হয়েছে। আরও তদন্ত চলছে।এই গ্রেফতারকে এটিএস একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে।
পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং অর্থায়নের চেষ্টাকে প্রতিহত করার দাবি করা হয়েছে। জইশ-ই-মোহাম্মদ ভারতে বহু জঙ্গি হামলার সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে এবং এটি নিষিদ্ধ সংগঠন। (Mohammad Zafar)বিহার থেকে উত্তর প্রদেশে এসে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করা এই যুবকের কার্যকলাপ গোয়েন্দা সংস্থার নজরে আসে। স্থানীয়ভাবে চাঁদা সংগ্রহের নামে অর্থ সংগ্রহ এবং তা বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা এই পুরো বিষয়টি তদন্তে উঠে এসেছে।
আরও দেখুনঃ এয়ার ইন্ডিয়ার ড্রাগ টেস্টে ‘ফেল’ ২ পাইলট
এটিএস বলছে, তাঁর মাধ্যমে আরও কোনো নেটওয়ার্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়েও খোঁজ চলছে।উত্তর প্রদেশে সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযান নিয়মিত চালিয়ে যাচ্ছে এটিএস। এ ধরনের গ্রেফতার রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সতর্ক করে তোলে। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, তরুণদের উগ্র মতাদর্শে প্রভাবিত হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া উসকানিমূলক উপকরণের বিরুদ্ধেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
