বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কার মাঝে, একটি উদ্বেগজনক গোয়েন্দা প্রতিবেদন পশ্চিমী দেশগুলোকে গভীরভাবে শঙ্কিত করে তুলেছে। এতে দাবি করা হয়েছে যে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একটি বিশাল ‘ডুমসডে বাঙ্কার’ (মহাপ্রলয়-রোধী আশ্রয়কেন্দ্র) – অর্থাৎ এমন এক গোপন আস্তানা যা কোনো মহাবিপর্যয়কর ঘটনাও সহ্য করতে সক্ষম – একটি দুর্গম ও গোপন পাহাড়ের নিচে নির্মাণ করছেন।
উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত ছবি ও গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এটি কেবল একটি সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিই নয়; বরং ধারণা করা হচ্ছে যে, এটি রাশিয়ার সবচেয়ে বিপজ্জনক ও স্বয়ংক্রিয় পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবস্থা – ‘ডেড হ্যান্ড’-এর নতুন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র।
এটি এমন এক ভয়াবহ ব্যবস্থা যা কোনো মানুষের নির্দেশ ছাড়াই – এমনকি কোনো বড় ধরনের হামলায় রাশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার পরেও -স্বয়ংক্রিয়ভাবে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম।
সহজ কথায়, মস্কোর ওপর যদি কোনো পারমাণবিক হামলা চালানো হয়, তবে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই আক্রমণকারী দেশটিকে পাল্টা আঘাত করবে; অর্থাৎ, নিজের ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়েও রাশিয়া শত্রুকে রেহাই দেবে না, বরং তাদের পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেবে।
