কলকাতা: শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় ধৃত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের বয়ান বদল ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে। রবিবার ভবানীভবনে সিআইডি দপ্তরে মক্কেলের সঙ্গে দেখা করার পর সুমিতের আইনজীবী অগ্নিশ বসু দাবি করেছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নন, বরং তৃণমূলের একদা কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাসের নির্দেশেই দলীয় অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়া হতো। দলের সংবিধান মেনেই ট্রেজারারের নির্দেশমতো সুমিত সমস্ত আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করতেন বলে জানানো হয়েছে।
শালবনি জমি দুর্নীতি ও সিআইডির তদন্ত
গ্রেপ্তারির প্রেক্ষাপট: শালবনি এলাকায় খাস সরকারি জমি ভুয়া নথি তৈরি করে কোটি কোটি টাকায় বিক্রির অভিযোগে খোদ অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি থেকে সুমিত রায়কে গ্রেপ্তার করেছিল সিআইডি।
তদন্তের সূত্রপাত: প্রথমে প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁকে জেরা করেই সুমিতের নাম পান তদন্তকারীরা। সিআইডির চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, কেলেঙ্কারির সেই টাকা সুজয়ের হাত ধরে সুমিতের অফিসে পৌঁছত। এমনকি অভিষেকের দুই দেহরক্ষীর বয়ান এবং সুজয়ের গাড়িচালককে জেরা করেও বিস্ফোরক তথ্য হাতে পেয়েছেন আধিকারিকরা।
বয়ান বদলের রহস্য ও আর্থিক লেনদেন
এর আগে তদন্তকারীদের দাবি ছিল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই ‘টি ঘোষ’ নামের এক ব্যক্তি (যাঁকে সাংসদের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে) ওই টাকা সুমিতকে দিয়েছিলেন। কিন্তু এবার সুমিতের আইনজীবীর নতুন দাবি অনুযায়ী পুরো আর্থিক দায়ভার এবং নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি তৎকালীন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাসের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। কোটি কোটি টাকার এই দুর্নীতির নেপথ্যে প্রকৃত উৎস এবং নেপথ্যের কুশীলবদের খুঁজতে এখন দফায় দফায় জেরা চালিয়ে যাচ্ছেন সিআইডির গোয়েন্দারা।
নাড্ডার কনভয়ে হামলা কাণ্ড: অস্ত্রসহ ধৃত দুই তৃণমূল নেতা, চাঞ্চল্য ডায়মন্ড হারবারে
এই কাজ করলেই বরখাস্ত! সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য কড়া আচরণবিধি জারি লালবাজারে
