২৫৪ কোটির বন্যাত্রান-নয়া মেডিকেল কলেজে সেজে উঠছে দার্জিলিং-কালিম্পঙ

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চল দার্জিলিং ও কালিম্পং এবার বিশেষ ত্রাণ প্যাকেজ পেয়েছে(flood relief)। রাজ্য সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও বর্ষা মৌসুমের প্রস্তুতির জন্য ২৫৪ কোটি টাকা…

darjeeling-kalimpong-flood-relief

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চল দার্জিলিং ও কালিম্পং এবার বিশেষ ত্রাণ প্যাকেজ পেয়েছে(flood relief)। রাজ্য সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও বর্ষা মৌসুমের প্রস্তুতির জন্য ২৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। পাহাড়ে ভূমিধস ও তিস্তা অববাহিকায় বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে এই প্যাকেজ স্থানীয় মানুষের জন্য স্বস্তির খবর হয়ে এসেছে। উদ্ধারকারী দল, বিশেষ করে অর্জুন বাহিনী তিস্তা অববাহিকায় মোতায়েন করা হবে।

Advertisements

একইসঙ্গে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত তিয়াত্তরটি পরিবারকে প্রত্যেককে তিন লাখ টাকা (flood relief)করে সহায়তা দেওয়া হবে।কালিম্পংয়ে একটি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের ঘোষণাও করা হয়েছে। এটি পাহাড়ি এলাকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। এতদিন বড় চিকিৎসার জন্য মানুষকে শিলিগুড়ি বা আরও দূরে যেতে হত। এখন স্থানীয়ভাবে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

   

আরও দেখুনঃ বিশ্বকাপ জয়ী কাফুর হাত ধরে উত্তরবঙ্গের ফুটবলে নতুন যুগের সূচনা দার্জিলিংয়ে

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় আট হাজার তিনশো পঁচিশটি বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। জমিহীন ও বাড়িহীন পরিবারগুলো উপকৃত হবেন।চা বাগান এলাকার পরিকাঠামো উন্নয়নে তিনশো বিশ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ডুয়ার্স, তরাই ও দার্জিলিং পাহাড়ের চা শ্রমিকদের জন্য বিশ শতাংশ পুজো বোনাস ঘোষণা করা হয়েছে। চা শিল্প এই অঞ্চলের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। শ্রমিকদের এই বোনাস পুজোর আগে কিছুটা স্বস্তি এনে দেবে।

Advertisements

পাহাড়ে এক হাজার পুলিশ কর্মী নিয়োগের কথাও বলা হয়েছে, যার মধ্যে তিনশো পদ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। এতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। (flood relief)কালিম্পংয়ের প্রায় দুই লাখ আঠারো হাজার বাসিন্দা আয়ুষ্মান ভারত কার্ড পাবেন। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবায় পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত কভারেজ মিলবে। পাহাড়ি মানুষের জন্য এটি বড় সুবিধা। দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা থাকা অত্যন্ত জরুরি।পাহাড়ে প্রতি বছর বর্ষাকালে ভূমিধস ও বন্যার ভয় থাকে।

তিস্তা নদীর অববাহিকা বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে নেপালেও বড় দুর্যোগ হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। ত্রাণ তহবিল ছাড়াও উদ্ধার দল ও পরিকাঠামো উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এই তহবিল ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এই প্যাকেজ শুধু ত্রাণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নেরও অংশ। বাড়ি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান সবদিকে নজর দেওয়া হয়েছে। চা শ্রমিকদের কল্যাণে বিশেষ উদ্যোগ স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করবে। মহিলা পুলিশ নিয়োগ সামাজিক ভারসাম্যও আনবে।(flood relief) ২৫৪ কোটির বন্যাত্রান-নয়া মেডিকেল কলেজে সেজে উঠছে দার্জিলিং-কালিম্পঙ

Advertisements