জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ট সাহা ভাইদের ডেরা খুঁড়ে ফের উদ্ধার বিপুল পরিমান অস্ত্র

উত্তর ২৪ পরগনা: তৃণমূলের রেশন দুর্নীতির দাগি নেতা (Arms recovered)জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আজিত সাহা ও সুজিত সাহা ভাইয়ের জমি খুঁড়ে ফের বড়সড় অস্ত্র…

arms-recovered-ajit-saha-sujit-saha-hideout-north-24-parganas

উত্তর ২৪ পরগনা: তৃণমূলের রেশন দুর্নীতির দাগি নেতা (Arms recovered)জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আজিত সাহা ও সুজিত সাহা ভাইয়ের জমি খুঁড়ে ফের বড়সড় অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পুলিশি অভিযানে তাঁদের ‘ডেরা’ খুঁড়ে লুকিয়ে রাখা আরও অস্ত্রশস্ত্র বেরিয়ে আসায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। দু’দিন আগেই পুলিশ আজিত সাহা ও সুজিত সাহাকে গ্রেফতার করে। তখন তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল ২৭ লক্ষ টাকার নগদ, ৬৬৬টি লাইভ কার্তুজ, ৬১টি খালি কার্তুজ, এয়ার গান ও পেলেট, একটি স্পোর্টস শুটিং রাইফেল এবং ৫২ বোতল বিদেশি মদ।

Advertisements

কিন্তু এরপরও পুলিশের সন্দেহ ছিল যে, আরও কিছু লুকানো আছে। সেই সন্দেহ সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার তাঁদের নিজস্ব জমিতে কোদাল চালিয়ে পুলিশ আরও কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে।পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, জমির নির্দিষ্ট কয়েকটি জায়গায় অস্ত্রগুলো পুঁতে রাখা হয়েছিল। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র ও গুলি কী উদ্দেশ্যে জমা করা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ বাংলাদেশের দিনাজপুরে চাকরি বাঁচাতে মহেন্দ্রকে হতে হল মাহমুদুল্লাহ

সাহা ভাইদের গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি বাড়িয়েছে। দলের একাংশ চাইছে দ্রুত দূরত্ব তৈরি করতে, অন্য অংশ অবশ্য এখনও চুপ করে আছে। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে তাঁদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সকলেরই জানা। স্থানীয় বাসিন্দারা এই খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, এই ধরনের ঘটনা ফের তৃণমূল আমলের অপশাসনের কঙ্কাল প্রকাশ্যে এনেছে।

বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনার মতো জেলায় অস্ত্রের এত বড় মজুত চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, সাহা ভাইদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, বিস্ফোরক আইনসহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তকারীরা বিশ্বাস করছেন, এই অস্ত্র শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য নয় এবং তাদের সন্দেহ নির্বাচন এবং নির্বাচন পরবর্তী হিংসা বাধানোর জন্যই এই অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল। আরও কোনো জায়গায় অস্ত্র লুকানো আছে কি না, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে।

Advertisements
Advertisements