লখনউ: উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (bulldozer action)নেতৃত্বাধীন সরকারের বুলডোজার অভিযান থামছে না। এবার মুজফ্ফরনগর জেলার ফুলত গ্রামে গ্রামসভা জমিতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা একটি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ধ্বংস অভিযান শুরু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও প্রশাসনিক দল সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। এলাকায় ভারী যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে এবং অবৈধ নির্মাণ ভাঙার প্রক্রিয়া চলছে।
ফুলত গ্রামের এই মাদ্রাসাটি দীর্ঘদিন ধরে গ্রামসভার জমিতে দাঁড়িয়েছিল বলে অভিযোগ (bulldozer action)। গ্রামসভার জমি সাধারণত গ্রামের সাধারণ মানুষের স্বার্থে সংরক্ষিত থাকে পুকুর, চারণভূমি, খেলার মাঠ বা সামাজিক কাজে ব্যবহারের জন্য। কিন্তু এখানে কোনো বৈধ অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল বলে প্রশাসনের দাবি। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এর আগেও নোটিশ জারি করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ নির্মাণ সরানো না হওয়ায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আরও দেখুনঃ বিজেপির সর্বোচ্চ পার্লামেন্টারি বোর্ডে এবার জুড়তে চলেছেন ৪ মহারথী মুখ্যমন্ত্রী
যোগী আদিত্যনাথ সরকার (bulldozer action)ক্ষমতায় আসার পর থেকেই উত্তরপ্রদেশে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। অপরাধীদের বাড়িঘর থেকে শুরু করে অবৈধ ধর্মীয় বা সামাজিক স্থাপনা যেখানেই আইন লঙ্ঘন পাওয়া গেছে, সেখানেই বুলডোজার নামানো হয়েছে। এই নীতিকে কেউ কেউ ‘বুলডোজার রাজ’ বলে সমালোচনা করলেও সরকারের দাবি, এটি শুধু আইন মেনে চলার প্রচেষ্টা।
গ্রামসভার জমি রক্ষা করা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।(bulldozer action)মুজফ্ফরনগরের এই অভিযানে পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মীরা কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছেন। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আগে থেকেই সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় কিছু বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন যে মাদ্রাসাটি দীর্ঘদিন ধরে চলছিল এবং অনেক শিশু সেখানে পড়াশোনা করত।
আরও দেখুনঃ একাধিক দিন দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক, পুজোর মুখেই চরম দুর্ভোগের আশঙ্কা
অন্যদিকে প্রশাসনের বক্তব্য, শিক্ষার নামে অবৈধ দখল মেনে নেওয়া যায় না। (bulldozer action)জমি যদি গ্রামসভার হয়, তাহলে সেটি ফিরিয়ে আনাই সঠিক পথ।এই ঘটনা উত্তরপ্রদেশের বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে। গত কয়েক বছরে রাজ্যজুড়ে শত শত অবৈধ নির্মাণ ধ্বংস করা হয়েছে।
অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, সরকারি জমি বা নদী-নালার পাড় দখল করে স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল। যোগী সরকারের তরফে বারবার বলা হয়েছে, আইন সবার জন্য সমান। ধর্ম, জাত বা সম্প্রদায় দেখে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ফুলত গ্রামের এই অভিযানও সেই নীতিরই অংশ।
