বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের চক্রান্ত! এবার ভারতকে সতর্ক করলেন প্রাক্তন ব্রিটিশ মন্ত্রী

সম্প্রতি NEET বিতর্কে ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে হয়েছে ছাত্র আন্দোলন (UK Minister)। এই আন্দোলন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। ব্রিটেনের এক প্রাক্তন মন্ত্রী সতর্ক…

uk-minister-bangladesh-style-protests

সম্প্রতি NEET বিতর্কে ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে হয়েছে ছাত্র আন্দোলন (UK Minister)। এই আন্দোলন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। ব্রিটেনের এক প্রাক্তন মন্ত্রী সতর্ক করে বলেছেন, এটি ভারতে ‘বাংলাদেশ-স্টাইল’ রাজনৈতিক উত্থানের শুরু হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা একসময় অপরাজেয় মনে হলেও হঠাৎ করে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন। এই মন্তব্য ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

Advertisements

প্রাক্তন ব্রিটিশ মন্ত্রী (UK Minister)বলেন, “আমি মনে করি এটি বাংলাদেশ-স্টাইল মুহূর্তের শুরু হতে পারে। শেখ হাসিনা দেখতে অপরাজেয় ছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, ভারতের বর্তমান প্রতিবাদ আন্দোলন যদি তীব্র হয় এবং সরকার যদি জনরোষ সামলাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটতে পারে। এই মন্তব্যের পর ভারতীয় কূটনৈতিক মহলে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ জোর কদমে চলছে আরশোলা আন্দোলনের তদন্ত! দিল্লি দাঙ্গার ছায়া দেখছে গোয়েন্দারা

ককরোচ জনতা পার্টির নামে পরিচিত এই আন্দোলন মূলত যুবকদের অংশগ্রহণে গড়ে উঠেছে। বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, চাকরির সুযোগের অভাব এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিতে তারা রাস্তায় নেমেছে। প্রতিবাদকারীরা বলছেন, সাধারণ মানুষের ক্ষোভ দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও এবং ছাত্র-যুবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এই আন্দোলনকে দ্রুত ছড়িয়ে দিয়েছে।

Advertisements

কিছু জায়গায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও হয়েছে। (UK Minister)রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের ঘটনার সঙ্গে তুলনা করা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানে ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু হয়ে সরকার পতন হয়েছিল। ভারতে এখনও পরিস্থিতি সে পর্যায়ে পৌঁছায়নি, কিন্তু যুবকদের ক্ষোভ যদি আরও বাড়ে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। সরকারের তরফে বলা হয়েছে, প্রতিবাদের অধিকার সবার আছে, কিন্তু হিংসা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

আরও দেখুনঃ ‘মাদকাসক্তি লুকিয়ে রাখবেন না!’ জেন-জি’দের পথে আনতে নয়া বার্তা মোদীর

কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।বিরোধী দলগুলো এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা বলছে, সরকারের নীতির কারণে যুবসমাজ হতাশ হয়ে পড়েছে। চাকরির পরীক্ষায় কাগজ ফাঁস, বেকারত্ব এবং অর্থনৈতিক চাপ সাধারণ মানুষের জীবন কঠিন করে তুলেছে।

অনেকে মনে করেন, এই প্রতিবাদ শুধু একটি দলের নয়, বরং বৃহত্তর জনক্ষোভের প্রকাশ।আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ভারতের মত বড় গণতন্ত্রে যুবকদের অসন্তোষ সামলানো চ্যালেঞ্জিং। বাংলাদেশের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারকে আরও সংবেদনশীল হতে হবে। যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান, শিক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে আন্দোলন আরও বড় আকার নিতে পারে।

আরও দেখুনঃ দীর্ঘ ৬ বছর পর ফের নাথুলা দিয়ে চালু হল ভারত-চিন বাণিজ্য

Advertisements