কোহিমা: নাগাল্যান্ডে বিষাক্ত বা ভেজাল মদ পান করার জেরে গত দু’দিনে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ১৯৯০ সাল থেকে নাগাল্যান্ডে মদ নিষিদ্ধ (Prohibition) থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই অবৈধ ও ভেজাল মদ বাজারে এল, তা খতিয়ে দেখতে একটি স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা ‘সিট’ (SIT)-এর গঠন করেছে পুলিশ।
কোথায় কত মৃত্যু?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ১৯ জনের মৃত্যুর মধ্যে একা মোমকচুং (Mokokchung) জেলাতেই প্রাণ হারিয়েছেন ৮ জন। অন্যদিকে, টুয়েনসাং (Tuensang) জেলায় মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। প্রাথমিক অনুমান, ভেজাল বা বিষাক্ত মদ পানের ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে পুলিশ সন্দেহভাজন মদের নমুনা সংগ্রহ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য গুয়াহাটিতে পাঠিয়েছে।
পুলিশের পদক্ষেপ ও ধরপাকড়
মোমকচুংয়ের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ (SSP) ভেসুপ্রা কেজো (Vesupra Kezo) জানিয়েছেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আই বাংলং চাং-এর (I Bunglang Chang) নেতৃত্বে গঠিত ‘সিট’ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং ভেজাল মদের সম্পূর্ণ সাপ্লাই চেইন বা উৎস খোঁজার চেষ্টা চলছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার পরই পুলিশ একাধিক জায়গায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে। ইতিমধ্যেই ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রায় ৩,০০০ বোতল অবৈধ মদ বাজোপ্ত করা হয়েছে।
প্রশাসনের সতর্কতা জারি
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে কোনো ধরনের অজানা, লেবেলহীন বা সন্দেহজনক অবৈধ মদ সেবন না করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মদ পানের পর যদি কারও মাথা ঘোরা, ঝাপসা দেখা, শ্বাসকষ্ট বা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
২০ বছর ধরে NTPC তে চাকরি! ছত্তিশগড়ে ভুয়ো নথি সহ গ্রেফতার বাংলাদেশি আতিক হুসেইন
