মুম্বই: প্রবল বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ ভূমিধস মুম্বইয়ে। বুধবার ভোরে ঘাটকোপার এলাকায় একটি চাওলের উপর পাহাড়ের একাংশ ধসে পড়ে মৃত্যু হল দু’জনের। এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে বেশ কয়েকজনের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), দমকল এবং পুলিশ। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ।
পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার ভোর ৩টে ৪৮ মিনিট নাগাদ ঘাটকোপারের চিরাগ নগর এলাকার গৌসিয়া চাওলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। রাঠোড় মেডিক্যালের কাছে পাহাড়ের একাংশ ধসে ওই চাওলের দু’-তিনটি ঘরের উপর আছড়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও দমকল। ধ্বংসস্তূপ থেকে সাহিল আনসারি (২৮) এবং মহম্মদ সমীর (১৪) নামে দু’জনকে উদ্ধার করে রাজাওয়াদি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দু’জন। ১৮ বছরের সোহেল আনসারির মাথায় এবং ১৪ বছরের মহম্মদ আনসারির পিঠে চোট লেগেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই দুই আহত তরুণের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।
ভোর ৪টে ৩২ মিনিট নাগাদ মুম্বই দমকল বাহিনীর তরফে এই ঘটনাকে ‘দ্বিতীয় স্তরের (Level-II) জরুরি অবস্থা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এনডিআরএফ-এর দল ও দমকলের পাশাপাশি প্রায় ৫০ জন বিএমসি (BMC) কর্মী অত্যাধুনিক সরঞ্জাম নিয়ে উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, এখনও ধ্বংসস্তূপের নীচে অন্তত ৬ থেকে ৮ জন আটকে থাকতে পারেন। ডিসিপি গণেশ শিন্ডে বলেন, “অশোকনগর এলাকায় প্রবল বৃষ্টির কারণেই এই ভূমিধস নেমেছে। এখনও পর্যন্ত দু’টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঠিক কতজন আটকে আছেন তা এখনই বলা সম্ভব নয়, অন্তত ৩ থেকে ৪ জনের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উদ্ধারকারী দল নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছে।”
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিএমসি মেয়র ঋতু তাওড়ে এবং অতিরিক্ত পুর কমিশনার (পূর্ব শহরতলি) অবিনাশ ঢাকনে। মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং গোটা ঘটনার আইনি তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,
