শ্রীনগর: জম্মু-কাশ্মীরের কঠুয়ায় একটি গুরুতর সন্ত্রাসবাদী চক্র ( Pakistani spy)ভেঙে দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। আরঅ্যান্ডডব্লিউ-এর কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যৌথ অভিযানে এক ২৪ বছর বয়সী ট্রাক চালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, তিনি পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সংবেদনশীল সামরিক তথ্য পাচার করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যাক্তির নাম অমন।
তিনি কঠুয়ার বাসিন্দা এবং পেশায় ট্রাক চালক। (Pakistani spy)পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর এজেন্টরা তাকে ফাঁদে ফেলে। হানিট্র্যাপের মাধ্যমে প্রভাবিত করে তাকে সামরিক স্থাপনা ও সীমান্তবর্তী রুটের তথ্য সংগ্রহের কাজ দেওয়া হয়। পরে তাকে আরও এগিয়ে যেতে বলা হয়।অমনের বাড়ির সামনে একটি সিম-চালিত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছিল।
আরও দেখুনঃ তেজস Mk2-এর ইঞ্জিন তৈরিতে বড় অগ্রগতি! GE-র সঙ্গে প্রযুক্তিগত জট কাটাল HAL
এই ক্যামেরা সরাসরি লাইভ স্ট্রিমিং করত। ক্যামেরার দৃষ্টি সীমান্তের কাছাকাছি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ওপর ছিল, যেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর যানবাহন, সেনা মোতায়েন এবং সরবরাহ কনভয় নিয়মিত চলাচল করে। সিম কার্ডের মাধ্যমে ক্যামেরাটি ওয়াই-ফাই ছাড়াই সরাসরি পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে ভিডিও পাঠাত। এতে করে রিয়েল-টাইম নজরদারি সম্ভব হচ্ছিল।ক্যামেরা কেনা ও বসানোর জন্য তাকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।
টাকাটি দুবাইয়ের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছিল। ( Pakistani spy)পুলিশ তার মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে এবং ফরেনসিক পরীক্ষা চালাচ্ছে। অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের অধীনে কঠুয়ার রাজবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।এই ঘটনা সীমান্ত এলাকায় ডিজিটাল নজরদারির নতুন ধরনের হুমকি তুলে ধরেছে। আগে শুধু ছবি বা মৌখিক তথ্য পাচারের ঘটনা দেখা যেত। এবার প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাইভ ফিড চালু রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বলছে, এ ধরনের পদ্ধতি শনাক্ত করা কঠিন, কারণ ক্যামেরা স্থানীয় নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করে না।
কঠুয়া জেলা সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সেনা ও বিএসএফ-এর চলাচল নিয়মিত। তাই এ ধরনের নজরদারি চেষ্টাকে গুরুতর নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। জম্মু অঞ্চলে গত কয়েক মাসে একাধিকবার এ ধরনের চক্র ভেঙে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে বোঝা যায়, পাকিস্তানি গোয়েন্দারা প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে।
