১০ শতাংশেরও বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে ভারত! আশাবাদী সীতারামন

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সম্প্রতি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছেন,(economic growth) ভারত ১০ শতাংশেরও বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। বেঙ্গালুরুতে আইআইটি মাদ্রাজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের এক…

india-10-percent-economic-growth

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সম্প্রতি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছেন,(economic growth) ভারত ১০ শতাংশেরও বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। বেঙ্গালুরুতে আইআইটি মাদ্রাজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “১০ প্লাস প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব। আমি শুধু উৎসাহ দিতে এটা বলছি না। এটা সত্যিই সম্ভব।”

Advertisements

সীতারামনের এই কথা দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ জাগিয়েছে। (economic growth)তিনি বলেন, উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করলে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে পৌঁছানো আরও দ্রুত হবে। তবে এর জন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে সব ক্ষেত্রে আরও বেশি করে গ্রহণ করতে হবে। ২০১৫ সাল থেকে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের দ্রুত বিকাশকে তিনি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।

   

আরও দেখুনঃ মদের দোকানে ঢুকে ‘কারণে’ চুমুক! বোতল খালি করে দোকানেই কুপোকাত বাঁদর

স্টার্টআপগুলো আগামী দিনে অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে পারে বলে তিনি মনে করেন।কৃষি খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও তিনি আলোকপাত করেন। (economic growth)তার মতে, প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপ ইতোমধ্যেই “অসাধারণ পরিবর্তন” এনেছে। উৎপাদকদের বাজারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, ফসল কাটার গতি বাড়ানো এবং পরবর্তী ফসলের জন্য জমি প্রস্তুত করা সব ক্ষেত্রেই প্রযুক্তি সাহায্য করছে।

Advertisements

ড্রোন ও এরিয়াল জিওস্পেশিয়াল যন্ত্র ব্যবহার করে জমির সঠিক ম্যাপিং করা হচ্ছে, যা আগে হাতে করতে হতো। এতে সময় ও খরচ দুটোই কমছে।ভারতের অর্থনীতি বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বড় অর্থনীতিগুলোর মধ্যে অন্যতম। (economic growth)সাম্প্রতিক কোয়ার্টারে ৭ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও দেশ তার গতি বজায় রেখেছে। সীতারামন মনে করেন, এই গতিকে আরও বাড়িয়ে দ্বি-অঙ্কের প্রবৃদ্ধিতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব যদি প্রতিভা ও প্রযুক্তির নতুন নতুন পথ খোলা হয়।

কৃষিতে বেকারত্ব কমাতেও প্রযুক্তি সাহায্য করতে পারে। শ্রমিকদের নতুন সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়।অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্য শুধু আশাবাদের কথা নয়। এটি সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অপরিহার্য। পরিকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল রূপান্তর, উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ এবং রফতানি বৃদ্ধি সব মিলিয়ে এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথ তৈরি হচ্ছে। তবে চ্যালেঞ্জও কম নয়। বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সমস্যা, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি এসব বিষয়ে মনোযোগ রাখতে হবে।

Advertisements