ঢাকা: বাংলাদেশ ভারতের কাছে গঙ্গার জল বণ্টন চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ অন্তর্ভুক্ত করার (Ganges water)দাবি জানিয়েছে। ১৯৯৬ সালের গঙ্গা জল চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে চলেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা নতুন চুক্তিতে আরও শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থা চাইছে।বাংলাদেশ চায় ১৯৭৭ সালের চুক্তিতে থাকা গ্যারান্টি ক্লজ পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
সেই ধারা ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে ছিল না। (Ganges water)এছাড়া তথ্য জানার অধিকার বা রাইট টু ইনফরমেশন বিধানও রাখার কথা বলা হচ্ছে। বাংলাদেশের জল সম্পদ মন্ত্রী শহীদুদ্দিন চৌধুরী আনী সম্প্রতি এক সেমিনারে এই বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন।তিনি বলেছেন, চুক্তি স্বাক্ষর করা অপরিহার্য। চুক্তি ছাড়া কোনো পথ নেই। এটি তাদের অধিকার। গ্যারান্টি ক্লজ থাকলে শুষ্ক মৌসুমে বা নদীর জল কমে গেলেও নিম্ন অববাহিকার দেশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি ন্যূনতম পরিমাণ জল পাওয়ার নিশ্চয়তা পাবে।
আরও দেখুনঃ বড় সিদ্ধান্ত DRDO র! এবার থেকে যুদ্ধের অস্ত্র তৈরী ককরতে পারবে প্রাইভেট সংস্থাগুলিও
১৯৭৭ সালের চুক্তিতে এমন সুরক্ষা ছিল, কিন্তু পরবর্তী চুক্তিতে তা বাদ পড়ে। (Ganges water)১৯৯৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী ফারাক্কা ব্যারাজ পয়েন্টে শুষ্ক আবহাওয়ায় জল ভাগাভাগি হয়। বাংলাদেশ মনে করে, গ্যারান্টি ক্লজ না থাকায় অনেক সময় তারা পর্যাপ্ত জল পায় না। তাই নতুন চুক্তিতে এই ধারা ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দিচ্ছে ঢাকা।
তথ্য জানার অধিকার থাকলে জল প্রবাহের তথ্য আরও স্বচ্ছভাবে পাওয়া যাবে। (Ganges water)দুই দেশের সম্পর্কে জল বণ্টন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আলোচনা শুরু করার তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের পক্ষ থেকেও দ্বিপাক্ষিক আলোচনার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করা হয়েছে। সংসদীয় কমিটিও চুক্তি নবায়নের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছে।
আরও দেখুনঃ রাজধানীতে বিশেষ নিরাপত্তায় ধ্বংস করা হল মনিপুরে গ্রেফতার হওয়া জঙ্গিদের অস্ত্র
গঙ্গা নদী উভয় দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে এর অববাহিকা বিস্তৃত। বাংলাদেশ নিম্ন অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় শুষ্ক আবহাওয়ায় জলের প্রবাহ নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে। কৃষি, মৎস্য ও নদীর নাব্যতা রক্ষায় পর্যাপ্ত জল প্রয়োজন।নতুন চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ ও তথ্য অধিকার অন্তর্ভুক্ত হলে জল বণ্টন আরও ন্যায্য ও স্বচ্ছ হবে বলে বাংলাদেশ মনে করে।
