রাজধানীতে বিশেষ নিরাপত্তায় ধ্বংস করা হল মনিপুরে গ্রেফতার হওয়া জঙ্গিদের অস্ত্র

নয়াদিল্লি: দিল্লির নারেলা এলাকায় এক নিয়ন্ত্রিত অভিযানে সন্দেহভাজন (weapons destroyed)জঙ্গিদের সঙ্গে যুক্ত রকেট লঞ্চার ধ্বংস করা হচ্ছে। সেনাবাহিনী, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল এবং ফরেনসিক সায়েন্স…

manipur-militants-weapons-destroyed

নয়াদিল্লি: দিল্লির নারেলা এলাকায় এক নিয়ন্ত্রিত অভিযানে সন্দেহভাজন (weapons destroyed)জঙ্গিদের সঙ্গে যুক্ত রকেট লঞ্চার ধ্বংস করা হচ্ছে। সেনাবাহিনী, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল এবং ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান চলছে। মণিপুরে গ্রেফতার দুই সন্দেহভাজন জঙ্গির সঙ্গে যুক্ত এই অস্ত্রগুলো পরীক্ষা ও নিষ্পত্তির জন্য দিল্লিতে আনা হয়েছিল।

Advertisements

সূত্রের খবরে জানা গেছে, মণিপুরে এক যৌথ তল্লাশি অভিযানে এই অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করা হয়। রকেট লঞ্চার ছাড়াও সেখানে রাইফেল, শত শত রাউন্ড জীবন্ত গোলাবারুদ, ডেটোনেটর এবং অন্যান্য বিস্ফোরক পদার্থ পাওয়া যায়। এই সব অস্ত্র ও বিস্ফোরক সামগ্রী দিল্লিতে আনার পর ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয় এবং এখন নিরাপদভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে।নারেলায় বিশেষায়িত দলগুলো নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে এই অস্ত্রগুলো নিষ্পত্তি করছে। এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ ‘কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, শ্রীনগর সফরে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য মার্কিন দূতের

অভিযান চলাকালীন আশপাশের এলাকায় যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।(weapons destroyed) এই ধরনের নিয়ন্ত্রিত ধ্বংস অভিযান সাধারণত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিরাপদে নিষ্পত্তির জন্য পরিচালিত হয়।মণিপুরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এই অস্ত্র উদ্ধার গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতারের পর তাদের সঙ্গে যুক্ত অস্ত্রভাণ্ডারের সন্ধান পাওয়া যায়।

Advertisements

নিরাপত্তা বাহিনী মণিপুরের বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে এই অস্ত্রগুলো বাজেয়াপ্ত করে। পরে সেগুলো দিল্লিতে পাঠানো হয় আরও বিস্তারিত পরীক্ষা ও নিষ্পত্তির জন্য।দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সেনাবাহিনী ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার ফলে অস্ত্রগুলোর সঠিক পরীক্ষা ও নিরাপদ ধ্বংস সম্ভব হচ্ছে।

আরও দেখুনঃ পাক-চিনকে আটকাতে আগামীকাল জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে রাজনাথ

এই অভিযান দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জঙ্গি তৎপরতা রোধে নিরাপত্তা বাহিনীর (weapons destroyed)সমন্বিত প্রচেষ্টার উদাহরণ।উদ্ধারকৃত অস্ত্রভাণ্ডারে রকেট লঞ্চার থাকায় এর গুরুত্ব আরও বেড়েছে। এ ধরনের অস্ত্র সন্ত্রাসবাদী তৎপরতায় ব্যবহৃত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়। তাই এগুলো দ্রুত ও নিরাপদে ধ্বংস করা জরুরি। নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ধ্বংস করার ফলে আশপাশের এলাকায় কোনো ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে না।

এই ঘটনা মণিপুরসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলতি সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতা। নিরাপত্তা বাহিনী ক্রমাগত অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করছে। দিল্লিতে এসে ধ্বংস করার প্রক্রিয়া দেখায় যে কেন্দ্রীয় স্তরেও এই বিষয়ে সমন্বয় রয়েছে। ফরেনসিক পরীক্ষার পর অস্ত্রগুলো আর ব্যবহারযোগ্য না রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisements