৫ দিনের ব্যাংকিং সপ্তাহের দাবিতে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে ব্যাংক ধর্মঘট

নয়াদিল্লি: ব্যাংক কর্মচারীদের যৌথ ফোরাম ইউনাইটেড ফোরাম (bank strike)অফ ব্যাংক ইউনিয়নস বা ইউএফবিইউ সারা দেশে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর একদিনের ধর্মঘট, তারপর ২৮…

five-day-banking-week-bank-strike

নয়াদিল্লি: ব্যাংক কর্মচারীদের যৌথ ফোরাম ইউনাইটেড ফোরাম (bank strike)অফ ব্যাংক ইউনিয়নস বা ইউএফবিইউ সারা দেশে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর একদিনের ধর্মঘট, তারপর ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর তিনদিনের ধর্মঘট এবং দাবি না মানা হলে ২৬ অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু হবে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে বেশ কয়েকটি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত দাবি।

Advertisements

ইউএফবিইউ-এর প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল পাঁচদিনের ব্যাংকিং সপ্তাহ চালু করা। ২০২৪ সালের ৮ মার্চ স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বা জয়েন্ট নোটে ভারতীয় ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশন বা আইবিএ এই বিষয়ে সম্মতি দিয়েছিল। সেই চুক্তি অনুযায়ী সোমবার থেকে শুক্রবার প্রতিদিন কাজের সময় ৪০ মিনিট বাড়িয়ে শনিবার ছুটি করার কথা ছিল।

   

আরও দেখুনঃ প্রতিরক্ষা বৈঠকে মোদীকে স্টেলথ যুদ্ধবিমান Su-57 এবং S-500 র বড় প্যাকেজ পুতিনের

অদ্ভুত সংকট! হায়দরাবাদের সেনানিবাস থেকে উধাও স্বয়ংক্রিয় রাইফেল-গোলা বারুদ

Advertisements

আইবিএ এই প্রস্তাব সরকারের কাছে সুপারিশও করেছিল। (bank strike)কিন্তু দুই বছরেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি। ইউনিয়নগুলোর দাবি, আরবিআই, এলআইসি, নাবার্ডসহ অনেক প্রতিষ্ঠানেই পাঁচদিনের কর্মসপ্তাহ চালু আছে। গ্রাহকসেবায় কোনো সমস্যা হবে না, কারণ কর্মীরা সপ্তাহের অন্যান্য দিনে বেশি সময় কাজ করতে রাজি।দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ দাবি হল সরকারের পারফরম্যান্স লিংকড ইনসেন্টিভ বা পিএলআই স্কিম প্রত্যাহার করা।

ইউনিয়নগুলো বলছে, নতুন স্কিমটি বৈষম্যমূলক। (bank strike)এতে স্কেল-৪ এবং তার ওপরের অফিসারদের জন্য অনেক বেশি প্রণোদনা রাখা হয়েছে, আর সাধারণ কর্মচারী ও নিম্ন স্তরের অফিসারদের জন্য সীমিত। তারা চান দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে এই স্কিম পরিবর্তন করা হোক। এছাড়া পেনশনসহ অন্যান্য অমীমাংসিত বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের দাবিও জানানো হয়েছে।ইউএফবিইউ সাতটি প্রধান ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত এআইবিইএ, এআইবিওসি, এনসিবিই, এআইবিওএ, বিইএফআই, আইএনবিইএফ ও আইএনবিওসি।

তারা দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যাংক কর্মীর প্রতিনিধিত্ব করে। পাবলিক সেক্টর, প্রাইভেট, বিদেশি, আঞ্চলিক গ্রামীণ ও সমবায় ব্যাংকের কর্মীরা এই ধর্মঘটে যোগ দেবেন বলে জানানো হয়েছে।ধর্মঘট সফল হলে সেপ্টেম্বর মাসে ব্যাংকিং পরিষেবায় বেশ কিছুদিন বিঘ্ন ঘটতে পারে।

১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ধর্মঘট হলে পরের দুদিন ছুটি থাকায় প্রভাব আরও বাড়বে। আবার ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের ধর্মঘটের আগে ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় পাঁচদিন ধরে অনেক শাখা বন্ধ থাকতে পারে। অক্টোবরের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

Advertisements