নয়াদিল্লি: সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে যাত্রার (Indian Railways) আগে ট্রেনের স্ট্যাটাস অবশ্যই যাচাই করে নেওয়া জরুরি। রেললাইনে চলা বিভিন্ন প্রকল্পের কারণে একাধিক ট্রেন পরিষেবা বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে বিহার থেকে ছাড়াও কয়েকটি ট্রেন রয়েছে। দিল্লি, রাজস্থান এবং আশপাশের রুটের যাত্রীদের এই বাতিলের কারণে সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
৫ ও ৬ অক্টোবর কোন ট্রেন বাতিল?
রেলওয়ের ঘোষণার অনুযায়ী, ৫ অক্টোবর বাতিল করা হয়েছে ১৪০৮৭ নম্বর দিল্লি-জয়সলমের রুনিচা এক্সপ্রেস। এর পরের দিন, অর্থাৎ ৬ অক্টোবর, বাতিল থাকবে ১৪০৮৮ নম্বর জয়সলমের-দিল্লি রুনিচা এক্সপ্রেস। ফলে এই রুটে ৫ ও ৬ অক্টোবর যাতায়াতের পরিকল্পনা করা যাত্রীদের আগে থেকেই বিকল্প ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া প্রয়োজন।
৭ অক্টোবরের ট্রেন বাতিলের তথ্য
৭ অক্টোবর বাতিল করা হয়েছে ২৬৪৮১ নম্বর যোধপুর-দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এবং ২৬৪৮২ নম্বর দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট-যোধপুর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এই দুই ট্রেনের যাত্রীরা টিকিটের বর্তমান স্ট্যাটাস এবং পরিষেবা বাতিলের বিষয়টি আগে থেকেই যাচাই করে নিন।
যাত্রার আগে কীভাবে ট্রেনের স্ট্যাটাস দেখবেন?
ট্রেন বাতিল বা রুট পরিবর্তনের মতো পরিস্থিতিতে যাত্রার আগে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। যাত্রীরা এনটিইএস ওয়েবসাইটে ট্রেনের চলাচলের তথ্য দেখতে পারেন। এছাড়া আইআরসিটিসি-তে বুক করা টিকিটের তথ্যও পরীক্ষা করা যায়। কোনও বিষয়ে সরাসরি সহায়তা প্রয়োজন হলে রেলের ১৩৯ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে। বিশেষ করে কয়েক মাস আগে থেকে টিকিট কেটে রাখা যাত্রীদের ক্ষেত্রে যাত্রার তারিখ যত এগিয়ে আসবে, ততই পরিষেবার সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করে নেওয়া ভালো।
ঘাজিয়াবাদ-দিল্লি রুটে মালগাড়ি লাইনচ্যুত
এর আগে ঘাজিয়াবাদ-দিল্লি রুটে একটি মালগাড়ি লাইনচ্যুত হওয়ার পরও একাধিক ট্রেনের পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল। গত মাসের একটি ঘটনার পর এই রুটে বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করা হয়।
কয়লাবাহী একটি মালগাড়ির ছয়টি ওয়াগন ঘাজিয়াবাদ-দিল্লি রুটে ভোরের দিকে লাইনচ্যুত হয়েছিল। খবর পাওয়ার পর রেল বিভাগের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার বা ডিআরএম-সহ অন্যান্য আধিকারিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। সৌভাগ্যক্রমে ওই ঘটনায় কেউ আহত হননি।
তদন্তের নির্দেশ
মালগাড়ি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় রেলের শীর্ষ আধিকারিকরা তদন্তের নির্দেশ দেন। দুর্ঘটনার পর যাত্রীবাহী ট্রেনের চলাচলেও প্রভাব পড়ে। বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেনের রুট পরিবর্তন করা হয়। কয়েকটি ট্রেনকে নয়াদিল্লি, সদর বাজার এবং পুরনো দিল্লি-শাহদরা হয়ে চালানো হয়।
এই ধরনের রেল প্রকল্প, রুট পরিবর্তন এবং পরিষেবা বাতিলের কারণে যাত্রার সময়েও পরিবর্তন হতে পারে। তাই দিল্লি বা রাজস্থানের দিকে যাত্রা করার আগে শুধু টিকিট কনফার্ম রয়েছে কি না, তা দেখলেই হবে না। সংশ্লিষ্ট ট্রেনটি নির্ধারিত দিনে চলছে কি না এবং তার রুটে কোনও পরিবর্তন হয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়া জরুরি। ৫, ৬ ও ৭ অক্টোবরের যাত্রীদের বিশেষভাবে সতর্ক হয়ে যাত্রার আগে সর্বশেষ রেল পরিষেবা সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা উচিত।
