নয়াদিল্লি: দিল্লি পুলিশ এক আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্র ভেঙে দিয়েছে। (Fraud Racket)চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একজন নাইজেরিয়ান মহিলাও রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে মার্কিন ডলার ও সোনা ভরা পার্সেল পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁরা এক দিল্লিবাসীকে প্রতারিত করেছেন। বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার নামে তাঁকে টাকা পাঠাতে বাধ্য করা হয়। শুক্রবার পুলিশ এই তথ্য জানিয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম জেলার সাইবার পুলিশ স্টেশনের তদন্তে উঠে এসেছে, (Fraud Racket)অভিযুক্তরা সংগঠিত চক্র হিসেবে কাজ করত। ভুক্তভোগীকে হোয়াটসঅ্যাপ ও ফোন কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। তাঁরা নিজেদের আমেরিকাবাসী বলে পরিচয় দেন এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
এরপর দাবি করেন যে তাঁর নামে মার্কিন ডলার ও সোনা ভরা এক পার্সেল ভারতে পাঠানো হয়েছে। সেই পার্সেল ছাড়িয়ে আনতে মানি ডিক্লারেশন সার্টিফিকেট, ফ্লাইট টিকিট, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও বাজেয়াপ্ত সোনা মুক্ত করার খরচ বাবদ টাকা চান।
আরও দেখুনঃ যোগী রাজ্যে এনকাউন্টারে শেষ কুখ্যাত গ্যাংস্টার-হিন্দু ব্যাবসায়ীদের আতংক মহম্মদ ফুরকান
ভুক্তভোগী বিশ্বাস করে মোট ১.৪৬ লাখ টাকা পাঠিয়ে দেন।মার্চ ৩১, ২০২৬-এ ভুক্তভোগীর অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। তদন্তে ডিজিটাল প্রমাণ ও আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হয়। (Fraud Racket)এরপর দিল্লি, তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশে সমন্বিত অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। দিল্লির ময়দানগড়ি থেকে দিপক কুমার, তেলেঙ্গানার জয়শঙ্কর ভূপাল থেকে কোন্ডা সাগর, ডুব্বাপেটা থেকে আজমিরা বিনোদ কুমার এবং বিশাখাপত্তনমে থাকা নাইজেরিয়ান নাগরিক সিমিয়ন মিরাকল চিনোনসোকে আটক করা হয়।
তাঁদের কাছ থেকে সাতটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে।পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, দিপক কুমার, কোন্ডা সাগর ও আজমিরা বিনোদ কুমার কমিশনের বিনিময়ে প্রতারণা চক্রকে মিউল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট জোগান দিতেন। (Fraud Racket)অন্যদিকে সিমিয়ন মিরাকল চিনোনসো হোয়াটসঅ্যাপ ও ফোন কলে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা, কাস্টমস অফিসার বা অন্য সংস্থার প্রতিনিধি সেজে ভুক্তভোগীদের প্রতারিত করতেন। বিদেশি পার্সেল, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও ডকুমেন্টেশন চার্জের নামে টাকা আদায় করতেন।
আরও দেখুনঃ অরুণাচল প্রদেশে অনুপ্রবেশ করেনি চিনা সেনা! সাফ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী খান্ডু
