ইম্ফল: গত তিন বছর ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও অশান্তির রেশ কাটেনি এখনও। এই পরিস্থিতিতে মণিপুরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সেখানে ‘আফস্পা’ (AFSPA)-র মেয়াদ আরও ৬ মাসের জন্য বাড়িয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এর ফলে মণিপুরের সংবেদনশীল ও উপদ্রুত অঞ্চলগুলিতে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন বহাল থাকছে। মণিপুরের পাশাপাশি অরুণাচল প্রদেশ এবং নাগাল্যান্ডের কিছু অংশেও এই আইন বজায় রাখা হয়েছে।
মণিপুরের বর্তমান পরিস্থিতি
২০২৩ সালের মে মাস থেকে জাতিগত সংঘাতে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্য। কুকি ও মেইতেই সম্প্রদায়ের সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দফায় দফায় হামলা চালানো হয়েছে নিরাপত্তাবাহিনীর ওপরও। সম্প্রতি বিদ্রোহীদের হামলায় অসম রাইফেলসের দুই জওয়ানের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। কাংপোকপি, সেনাপতি-সহ একাধিক জেলা এখনও এর ভয়াবহ প্রভাবের মুখে। শান্তি না ফেরায় গত তিন বছর ধরে দফায় দফায় এই আইনের মেয়াদ বাড়িয়ে চলেছে প্রশাসন।
কোথায় কোথায় বহাল থাকছে ‘আফস্পা’?
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৮০ শতাংশেরও বেশি এলাকা এখন এই আইনের আওতামুক্ত হলেও সংবেদনশীল অঞ্চলগুলিতে নিরাপত্তা বজায় রাখতে কড়াকড়ি রাখা হয়েছে।
মণিপুর: রাজ্যের অধিকাংশ এলাকায় আইন বলবৎ থাকলেও, পাঁচটি জেলার ১৩টি থানার আওতাধীন এলাকাকে এর বাইরে রাখা হয়েছে।
নাগাল্যান্ড: ডিমাপুর, নিউল্যান্ড, চুমুকেডিমা, মন, কিফিরে, নকলাক, ফেক, পেরেন ও মেলুরি, এই ন’টি সম্পূর্ণ জেলার পাশাপাশি কোহিমা, মোককচুং, লংলেং, ওখা ও জুনহেবোটো জেলার নির্দিষ্ট কিছু থানা এলাকার ক্ষেত্রেও আফস্পা বহাল রয়েছে।
অরুণাচল প্রদেশ: তিরপ, চাংলাং ও লংডিং জেলায় এই আইনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি, আসাম-সংলগ্ন নামসাই জেলার নামসাই, মহাদেবপুর ও চাউখাম থানা এলাকাতেও এটি কার্যকর থাকছে।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা
