স্কুল সংযুক্তিকরণ মানি না! ভোপালে পথে ‘জেন আলফা’ পড়ুয়ারা

ভোপাল: ভোপালের রিজিওনাল স্কুল (Regional School) বা ডেমোনস্ট্রেশন মাল্টিপারপাস স্কুল (DMS)-কে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় সংগঠনের (KVS) সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল ছাত্রছাত্রীরা। স্কুলের…

ভোপাল: ভোপালের রিজিওনাল স্কুল (Regional School) বা ডেমোনস্ট্রেশন মাল্টিপারপাস স্কুল (DMS)-কে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় সংগঠনের (KVS) সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল ছাত্রছাত্রীরা। স্কুলের বাইরে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি প্রস্তাবিত এই সংযুক্তিকরণের বিরুদ্ধে স্লোগানও দেয় তারা। এই প্রতিবাদী আন্দোলনকেই ‘জেন আলফা’ (Gen Alpha) বিক্ষোভ বলে অভিহিত করা হচ্ছে।

Advertisements

কী কারণে এই বিক্ষোভ?

বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের অভিযোগ, রিজিওনাল স্কুলকে যদি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তবে এই প্রতিষ্ঠানের যে মূল উদ্দেশ্য, অর্থাৎ শিক্ষাক্ষেত্রে উদ্ভাবন ও নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, তা সম্পূর্ণ ব্যাহত হবে। পড়ুয়া এবং স্কুলের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্যদের মতে, ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে এনসিইআরটি (NCERT)-র অধীনে এই ডেমোনস্ট্রেশন মাল্টিপারপাস বা রিজিওনাল স্কুলগুলি পরিচালিত হয়ে আসছে।

   

শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন ও উদ্ভাবনী পদ্ধতি প্রয়োগের উদ্দেশ্যেই ভোপাল, আজমের, মহীশূর (মাইসুরু) এবং ভুবনেশ্বর— দেশের এই চারটি শহরে পরীক্ষামূলকভাবে এমন স্কুল গড়ে তোলা হয়েছিল। আন্দোলনকারীদের যুক্তি, এখন এই স্কুলগুলিকে যদি অন্য কোনও প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে (যেমন KVS) নিয়ে আসা হয়, তবে তাদের স্বতন্ত্র পরিচিতি এবং শিক্ষাগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

দাবি না মানলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

বিক্ষোভ চলাকালীন ছাত্রছাত্রীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, তারা কোনওভাবেই এই সংযুক্তিকরণ মেনে নেবে না। পরবর্তীতে তারা রিজিওনাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এস. কে. গুপ্তাকে একটি স্মারকলিপি বা মেমোরেন্ডাম জমা দেয়, যেখানে তাদের সমস্ত আপত্তি এবং দাবিগুলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

Advertisements

আন্দোলনকারীদের মূল দাবি হলো, অবিলম্বে সংযুক্তিকরণের এই প্রস্তাব প্রত্যাহার করতে হবে এবং পরীক্ষামূলক স্কুলগুলির বর্তমান কাঠামোই বজায় রাখতে হবে। বরং এই স্কুলগুলিকে শিক্ষাগত উদ্ভাবন এবং গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করার দাবি জানিয়েছে তারা। পড়ুয়ারা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যদি শীঘ্রই তাদের দাবিদাওয়া শোনা না হয়, তবে আগামী দিনে তারা ধাপে ধাপে এই আন্দোলন আরও তীব্র করবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন দপ্তরে নিজেদের দাবি পৌঁছে দেবে।

৫৯ বছর ধরে দখল হয়েছিল জমি! যোগী অ্যাকশনে গুড়িয়ে গেল ১৯৬৮ সালের মাদ্রাসা

ভারতের চাহিদা পূরণ হলে তবেই বাংলাদেশকে জ্বালানী সাহায্য দেওয়া হবে! বিবৃতি বিদেশ মন্ত্রকের

Advertisements