নয়াদিল্লি: নয়াদিল্লিতে বিদেশ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল ( Bangladesh Fuel)বাংলাদেশের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের জ্বালানি খাতে সহযোগিতা রয়েছে এবং থাকবে। অতিরিক্ত চাহিদার বিষয়ে ভারত নিজের প্রয়োজন, পরিশোধন ক্ষমতা এবং নিজস্ব সরবরাহের পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।
একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, ভারত বাংলাদেশের ( Bangladesh Fuel)সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিকতার ভিত্তিতে ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায়।রণধীর জয়সওয়ালের এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনা চলছে এবং সেখান থেকে অতিরিক্ত সহায়তার অনুরোধ এসেছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, বিদ্যমান সহযোগিতা অব্যাহত থাকলেও নতুন অনুরোধের ক্ষেত্রে নিজেদের সক্ষমতা ও চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
আরও দেখুনঃ ঢাকায় নাশকতার ছক বানচাল!বিস্ফোরক সহ গ্রেফতার দাওলাতুল ইসলামের জামসেদ-জুয়েল
এটি কূটনৈতিকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে, (Bangladesh Fuel)যেখানে প্রতিবেশী দেশের প্রয়োজনকে স্বীকার করা হয়েছে কিন্তু নিজস্ব স্বার্থকেও উপেক্ষা করা হয়নি।বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের জ্বালানি সহযোগিতা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। বিদ্যুৎ আমদানি-রফতানি, গ্যাস এবং অন্যান্য জ্বালানি খাতে দুই দেশের মধ্যে একাধিক চুক্তি ও প্রকল্প রয়েছে। এই সহযোগিতা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দেখা দিলে অতিরিক্ত ( Bangladesh Fuel)সহায়তার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই ভারতের এই পর্যালোচনার কথা উঠে এসেছে। বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়েও স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়।
আরও দেখুনঃ জন্তরমন্তর প্রতিবাদে উপস্থিত ছিল ২৪০০ দাগি আসামি! ফেস রিকগনিশনে ফাঁস বড় তথ্য
এটি শুধু জ্বালানি নয়, সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। পারস্পরিকতা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা ইঙ্গিত করে যে সম্পর্ক একতরফা নয় বরং দুই পক্ষের সমান অংশগ্রহণের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে।কূটনৈতিক মহল এই বক্তব্যকে সতর্ক ও বাস্তববাদী বলে মূল্যায়ন করছে।
ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে চায়, কিন্তু নিজের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষুণ্ণ করে নয়। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে পরিশোধন ক্ষমতা এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদার হিসাব রাখা জরুরি। এ কারণেই বিষয়টি এখন পর্যালোচনাধীন রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
