নয়াদিল্লি: ইরান ও আমেরিকার নতুন করে সংঘর্ষের আবহেই তেহরানের আকাশে দেখা মিলেছে একাধিক বর্ণিল আলোযুক্ত এক রহস্যময় বস্তুর। গত ২০ সেপ্টেম্বর তেহরানের আজাদগান এক্সপ্রেসওয়ের কাছে এবং ২১ সেপ্টেম্বর জাহেদান শহরের আকাশে এই অদ্ভুত উড়ন্ত বস্তু বা ড্রোন সদৃশ যান দেখা যাওয়ার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক জল্পনা। আর এর ফলেই ফের আলোচনায় উঠে এসেছে আমেরিকার অতি-গোপন ও রহস্যময় সুপারসনিক যুদ্ধবিমান TR-3B ‘ব্ল্যাক মান্টা’ (Black Manta)-র তত্ত্বটি।
কী এই ‘ব্ল্যাক মান্টা’?
দশকের পর দশক ধরে প্রত্যক্ষদর্শীরা ত্রিভুজাকৃতি ও মাঝখানে উজ্জ্বল আলোযুক্ত এক রহস্যময় কালো ইউএফও (UFO)-র কথা বলে এসেছেন, যা অত্যন্ত নীরবে এবং হঠাৎ করেই গতিপথ বদলাতে সক্ষম। যদিও মার্কিন সরকারের তরফ থেকে এই ধরনের কোনো বিমানের অস্তিত্ব কখনো স্বীকার করা হয়নি, তবুও ষড়যন্ত্র তত্ত্ববিদ ও সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের বিশ্বাস, এটি আমেরিকার এক অতি-গোপন গুপ্তচর বিমান।
তত্ত্ব ও প্রযুক্তি: প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, ‘ব্ল্যাক মান্টা’ পারমাণবিক শক্তি বা প্লাস্টির প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকর্ষের প্রভাব কমিয়ে অতি দ্রুত দিক পরিবর্তন এবং রাডারকে ফাঁকি দিতে সক্ষম।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৯০-এর দশকে আলোড়ন ফেলা বিখ্যাত ‘এফ-১১৭ নাইথহক’ (F-117 Nighthawk) স্টিলথ বিমানটিও প্রকাশ্যে আসার আগে বছরের পর বছর ধরে গোপন রাখা হয়েছিল। তাই অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের “এমন অস্ত্র রয়েছে যা কেউ দেখেনি” শীর্ষক মন্তব্য এই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।
১৯৭৬ সালের ঘটনা: বর্তমান এই ঘটনা মনে করিয়ে দিচ্ছে ১৯৭৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বরের তেহরান আকাশসীমার এক ঐতিহাসিক রহস্যময় ইউএফও দর্শনকে, যা আজও অমীমাংসিত।
বর্তমানে তেহরানের আকাশে দেখা যাওয়া এই বস্তু কোনো ড্রোন, নাকি নিছকই কোনো আলোকসজ্জা, তা নিয়ে ইরান সরকার বা সামরিক বাহিনী এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেনি। তবে এই রহস্যময় sighting-এর জেরে ‘ব্ল্যাক মান্টা’র পৌরাণিক রহস্য ফের আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।
তেহরিক ই তালিবানের সঙ্গে ভারতের কোনো সম্পর্ক নেই! স্বীকারোক্তি TTP নেতার
মার্কিন সফর বাতিল নেতানিয়াহুর! IRGC কে প্রস্তুত হতে নির্দেশ ইরানের
