হরমুজ প্রণালীতে ফের উত্তেজনা। বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার ঘটনা সামনে আসার পরেই উত্তেজনা বেড়েছে। জানা গিয়েছে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী এলপিজি ট্যাঙ্কারে হামলা চালানো হয়েছে। ওই ট্যাঙ্কারটির নাম ‘এমটি আল মারিয়াহ’ বলে রিপোর্টে প্রকাশ। হিন্দুস্তান টাইমসের তথ্য বলছে জাহাজে মোট ১৯ জন কর্মী ছিলেন। তার মধ্যে নয় জন ছিলেন ভারতীয়। তাঁরা সবাই অক্ষত রয়েছেন।
তবে এই হামলা ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভারতের সামুদ্রিক প্রশাসন জানিয়েছে পারস্য উপসাগরে হরমুজের পশ্চিম দিকে বিদেশী পতাকা নিয়ে ৭টি জাহাজ ও ভারতের পতাকা নিয়ে আরও ৬টি জাহাজ রয়েছে। এই প্রতিটি জাহাজের সঙ্গেই ভারতের বাণিজ্যিক স্বার্থ জড়িত। ওই জাহাজগুলিতে সব মিলিয়ে ১৪৫ জন ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। তাই এভাবে হামলা চললে ভারত ওই জাহাজগুলিকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরাতে বাধ্য হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে, ড্রোন হামলা ঠিক কারা চালিয়েছে এখনও সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
হামলার পর জাহাজটিতে বড়সড় কোনও ক্ষতি হয়নি বলে খবর। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির খোর ফাক্কান এলাকায় জাহাজটিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ও সেখানেই নিরাপদে রাখা হয়েছে। এই ধরণের হামলার ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বেশ প্রভাব পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলির মধ্যে হরমুজ একটি হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। পশ্চিম এশিয়ায় চলতি সংঘাতের কারণে প্রভাব পড়েছে জাহাজ চলাচলে।
ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তাও অন্যতম প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে। ভারতীয় সামুদ্রিক প্রশাসন গোটা ঘটনায় নজর রাখছে। সংঘাতের জন্য জাহাজগুলিকে বাড়তি নিরাপত্তা দিতে হচ্ছে। ফলে বাড়ছে পরিবহন খরচ, বিমার মত খরচগুলি। তাই জাহাজ চলাচলেরও খরচ বাড়ছে। এরপরেও জাহাজগুলি হামলার মুখে পড়ায় যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে।
