ভোট দিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পবিত্র করের, নিশানায় বিরোধীরা

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর প্রথম পর্যায়ে এবার বিশেষভাবে নজর কাড়ছে নন্দীগ্রাম (Nandigram) কেন্দ্র। রাজ্যের অন্যতম হেভিওয়েট আসন হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্র ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক…

Pabitra Kar

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর প্রথম পর্যায়ে এবার বিশেষভাবে নজর কাড়ছে নন্দীগ্রাম (Nandigram) কেন্দ্র। রাজ্যের অন্যতম হেভিওয়েট আসন হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্র ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক উত্তেজনা ও কৌতূহল ছিল তুঙ্গে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের মধ্যে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহে বৃহস্পতিবার সকালে (Nandigram) নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পবিত্র কর।

Advertisements

সকাল সকাল ভোট (Nandigram) দিতে আসেন পবিত্র কর। ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিজের অভিমত জানান। তিনি বলেন, “নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাই প্রত্যেক নাগরিকের একটি বাধ্যবাধকতা। সেই জায়গা থেকে আমি আমার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছি।” তাঁর এই মন্তব্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি দায়বদ্ধতার বার্তা উঠে আসে। এরপরই তিনি নন্দীগ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি ও নিজের নির্বাচনী লক্ষ্য নিয়ে মন্তব্য করেন। পবিত্র কর বলেন, তাঁর পরবর্তী কর্মসূচি হল সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা এবং নন্দীগ্রামকে একটি জঞ্জালমুক্ত, উন্নত ও স্বচ্ছ পরিবেশে গড়ে তোলা। (Nandigram) তাঁর ভাষায়, “নন্দীগ্রামবাসীকে একটা জঞ্জাল থেকে মুক্ত করার জন্য সাধারণ মানুষ যেভাবে উৎসাহের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের সেই উৎসাহকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের দায়িত্ব।”

   

তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। যদিও তিনি সরাসরি কারও নাম উল্লেখ করেননি, তবে তাঁর বক্তব্যকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে। নন্দীগ্রাম কেন্দ্র বরাবরই রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে, ফলে এখানে প্রতিটি বক্তব্য ও প্রতিক্রিয়াই বিশেষ গুরুত্ব পায়। এদিকে, ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকে এখনও পর্যন্ত নন্দীগ্রামে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে বলে দাবি করেছেন পবিত্র কর। তিনি বলেন, “এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনও ধরনের সমস্যা হয়নি। ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্নেই চলছে।” প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নন্দীগ্রামের মতো সংবেদনশীল কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণকে প্রশাসনের জন্য বড় সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে অতীতের অভিজ্ঞতার কারণে এই কেন্দ্র নিয়ে সবসময়ই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। পবিত্র করের বক্তব্যে উন্নয়ন ও পরিবর্তনের বার্তা উঠে এলেও, বিরোধীরা এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নন্দীগ্রামের এই লড়াই শুধুমাত্র একটি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন নয়, বরং এটি রাজ্যের বৃহত্তর রাজনৈতিক সমীকরণের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

 

Advertisements

 

Advertisements