শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গে এসেই বড় ঘোষণা অমিত শাহের। (land transfer)বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণ আরও শক্তিশালী করতে এসএসবি ও বিএসএফ-কে মোট ১,১২৯ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দীর্ঘ এবং সংবেদনশীল। এই সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যকলাপ রোধে বেড়া নির্মাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অমিত শাহের ঘোষণা অনুযায়ী, ১,১২৯ একর জমি সরাসরি সীমান্তরক্ষী (land transfer)বাহিনীগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এতে বেড়া নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে এগোবে।বিএসএফ বা বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মূল দায়িত্ব পালন করে। এসএসবি বা শসস্ত্র সীমা বলও কিছু অংশে সহায়ক ভূমিকা রাখে। জমি হস্তান্তরের ফলে এই দুই বাহিনী এখন আরও স্বাচ্ছন্দ্যে পরিকাঠামো গড়ে তুলতে পারবে। বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি নিয়ে যে জটিলতা থাকত, তা অনেকটাই কেটে যাবে।
সীমান্ত বেড়া শুধু কাঁটাতারের বেড়া নয়। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে টহল পথ, ওয়াচ টাওয়ার, আলোকসজ্জা ও আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা। জমি হস্তান্তর হলে এই পুরো পরিকাঠামো গড়ে তোলা সহজ হবে। সীমান্তরক্ষী জওয়ানরা আরও কার্যকরভাবে টহল দিতে পারবেন এবং অবৈধ কার্যকলাপ রোধে সক্ষম হবেন।অমিত শাহের এই ঘোষণা সীমান্ত নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দিচ্ছে।
বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে বেড়া নির্মাণের কাজ চলছে। (land transfer)অনেক জায়গায় ভৌগোলিক কারণে বা জমি সংক্রান্ত সমস্যার জন্য কাজ আটকে থাকত। এবার জমি সরাসরি বাহিনীর হাতে চলে যাওয়ায় সেই বাধা অনেকটাই দূর হবে।সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর মানুষও এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাচ্ছেন। অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান স্থানীয় অর্থনীতি ও সামাজিক পরিবেশকে প্রভাবিত করে। শক্তিশালী বেড়া ও নজরদারি ব্যবস্থা থাকলে এই সমস্যা কমে আসবে।
আরও দেখুনঃ নজরে জাতীয় নিরাপত্তা! ‘চিকেনস নেক’-এর সুরক্ষায় রেলের মেগা প্রকল্প
নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি স্থানীয় মানুষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করবে।এই জমি হস্তান্তর শুধু বেড়া নির্মাণের জন্য নয়, সামগ্রিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক প্রযুক্তি যেমন ক্যামেরা, সেন্সর ও ড্রোন ব্যবহারের জন্যও পর্যাপ্ত জায়গার প্রয়োজন হয়। জমি পাওয়ার ফলে এসব প্রযুক্তি স্থাপন করা সহজ হবে। সীমান্তরক্ষীরা আরও দ্রুত সাড়া দিতে পারবেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিয়মিত সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আসছেন।
তাঁর এই ঘোষণা সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। (land transfer)সীমান্তকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। জমি হস্তান্তর তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।১,১২৯ একর জমি কোনো ছোট পরিমাণ নয়। এই বিশাল এলাকা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আসায় বেড়া নির্মাণের গতি বাড়বে। যেসব অংশে এখনও বেড়া হয়নি বা আংশিক হয়েছে, সেখানে কাজ দ্রুত এগোবে। সম্পূর্ণ বেড়া নির্মাণ হলে সীমান্ত আরও সুরক্ষিত হয়ে উঠবে।
