শিলিগুড়ি: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উত্তরবঙ্গ সফরে। (Amit Shah )তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করেছেন সীমান্ত নিরাপত্তায় তাঁর সহযোগিতার জন্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মাত্র একটি ফোন কলেই প্রয়োজনীয় সব অনুমতি দিয়ে দেন। এত দ্রুত ও সহজে সহযোগিতা পাওয়া সত্যিই বিরল। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিএসএফ ও এসএসবি-কে ১,১২৯ একর জমি বুঝিয়ে দিয়েছেন।
এই দৃষ্টান্তই প্রমাণ করে, দ্বৈত ইঞ্জিনের সরকার কীভাবে কাজ করে উন্নয়নও চলে, নিরাপত্তাও নিশ্চিত হয়।সীমান্ত নিরাপত্তা আজকের দিনে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘ সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও অন্যান্য নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জ দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দ্রুত জমি ও অনুমতি দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
আরও দেখুনঃ অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা নেই! শরণার্থীদের ৬ মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব দেওয়ার শাহী বার্তা উত্তরবঙ্গে
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেই প্রয়োজনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। (Amit Shah )একটি ফোন কলেই সব অনুমতি মিললে প্রশাসনিক জটিলতা কমে যায়। ফলে সীমান্তরক্ষী বাহিনী দ্রুত তাদের পরিকাঠামো গড়ে তুলতে পারে। ৪৫ দিনে ১,১২৯ একর জমি হস্তান্তরের ঘটনা তাই শুধু সংখ্যার খেলা নয়, এটি রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার জ্বলজ্বলে প্রমাণ।অমিত শাহের এই প্রশংসায় উঠে এসেছে দ্বৈত ইঞ্জিন সরকারের কার্যকারিতা।
কেন্দ্রে বিজেপি এবং রাজ্যেও বিজেপি সরকার থাকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি অনেক বেড়ে যায়। (Amit Shah )উন্নয়নের পাশাপাশি নিরাপত্তাকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার যে দর্শন, তা এই সহযোগিতার মধ্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ‘ডেভেলপমেন্ট ভাই, সিকিউরিটি ভাই’ এই স্লোগান এখন আর শুধু কথার কথা নয়। বাংলার মাটিতে তা বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ ও এসএসবি-র জন্য জমি পাওয়া মানে নতুন ক্যাম্প, আধুনিক চেকপোস্ট এবং টহল ব্যবস্থার উন্নতি।
আরও দেখুনঃ ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বিলিয়ে অভ্যাস খারাপ করেছে তৃণমূল!’ বিক্ষোভের মাঝেই বিস্ফোরক দিলীপ
এতে স্থানীয় মানুষও নিরাপদ বোধ করবেন। (Amit Shah)মুখ্যমন্ত্রীর এই দ্রুত সিদ্ধান্তের ফলে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মনোবলও বেড়েছে। তাঁরা এখন আর অনুমতির অপেক্ষায় দিন কাটান না। প্রয়োজন হলেই ফোন করলেই কাজ হয়ে যায়। এমন সহযোগিতা আগে খুব কমই দেখা গেছে। অমিত শাহ নিজেই বলেছেন, এভাবেই একটি কার্যকর সরকার চলে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে যদি এমন সমন্বয় থাকে, তাহলে কোনো বড় প্রকল্পই আটকে থাকে না।
সীমান্ত নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল বিষয়েও দ্রুত অগ্রগতি সম্ভব হয়। (Amit Shah )বাংলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তার অভাব অনুভব করে আসছিলেন। অনুপ্রবেশের অভিযোগ, চোরাচালানের ঘটনা এসব নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগ ছিল। এখন মুখ্যমন্ত্রীর সক্রিয় সহযোগিতায় সেই উদ্বেগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। ১,১২৯ একর জমি পেলে বিএসএফ ও এসএসবি তাঁদের পরিকাঠামো সম্প্রসারণ করতে পারবে। নতুন ব্যারাক, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নজরদারি ব্যবস্থা সবকিছুই দ্রুত গড়ে উঠবে।
আরও দেখুনঃ ফারাক্কায় আংশিক ভাবে চালু হল ৬২২.০৪ কোটির ৫.৪৬৮ কিলোমিটারের ৪ লেনের সেতু
এতে সীমান্ত আরও সুরক্ষিত হবে।দ্বৈত ইঞ্জিন সরকারের এই মডেল শুধু নিরাপত্তাতেই সীমাবদ্ধ নয়। উন্নয়নের অন্যান্য ক্ষেত্রেও একই ধরনের দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। শিল্প, পরিকাঠামো , কর্মসংস্থান সব জায়গায় কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয় কাজ করছে। অমিত শাহের প্রশংসা সেই সমন্বয়েরই স্বীকৃতি। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সহযোগিতা সীমান্ত নিরাপত্তাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
