কালিয়াচকের তাণ্ডবে উসকানি? বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার মোফাক্কেরুল

কলকাতা: বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার মোফাক্কেরুল ইসলাম৷ ভোটার ডিলিট করাকে কেন্দ্র করে করা আন্দোলনে সামিল হয়ে গ্রেফতার হন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন নেতা৷ Advertisements মালদহের…

কলকাতা: বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার মোফাক্কেরুল ইসলাম৷ ভোটার ডিলিট করাকে কেন্দ্র করে করা আন্দোলনে সামিল হয়ে গ্রেফতার হন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন নেতা৷

Advertisements

মালদহের কালিয়াচকে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR)-এর কাজে যুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের ঘেরাও এবং নজিরবিহীন বিক্ষোভের ঘটনায় বড়সড় পদক্ষেপ রাজ্য পুলিশের। শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় মোফাক্কেরুল ইসলামকে।

   

পলাতক নেতার খোঁজ মিলল বিমানবন্দরে

গত বুধবারের ওই উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর থেকেই পলাতক ছিলেন মোফাক্কেরুল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভাইরাল ছবিতে দেখা গিয়েছিল, কালিয়াচকে বিশাল ক্ষুব্ধ জনতার মাঝে একটি গাড়ির ওপর দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিচ্ছেন তিনি। এরপর থেকেই তাঁর খোঁজে চিরুনি তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। বাড়িতে গিয়েও তাঁর হদিস মেলেনি, এমনকি ফোনেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে জালে আনল রাজ্য পুলিশ।

গ্রেফতারির আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট Mofakkerul Islam arrest

চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, এদিন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার ঠিক আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন মোফাক্কেরুল। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “ভোটার তালিকা থেকে নাম ডিলিট হওয়ার প্রতিবাদ করতে গিয়েই অ্যারেস্ট হলাম।” যদিও রহস্যজনকভাবে কিছুক্ষণ পরেই তাঁর প্রোফাইল থেকে সেই পোস্টটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

Advertisements

কালিয়াচকের সেই অভিশপ্ত রাত

উল্লেখ্য, গত বুধবার দুপুর ৩টে থেকে রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত কালিয়াচকে সাতজন বিচারককে আটকে রেখে নজিরবিহীন তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ ওঠে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। উদ্ধার করে আনার সময়ও তাঁদের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এই ঘটনার পর এক মহিলা আইনজীবীর নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বৃহস্পতিবারই ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এবার মূল অভিযুক্তদের একজন, মিম নেতা মোফাক্কেরুলকে গ্রেফতার করা হলো।

বিজেপির কড়া প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পদ্মশিবির। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার কড়া ভাষায় বলেন, “যাঁরা এই ঘটনার পিছনে আছেন, যাঁরা কার্যত ভারত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন এবং জনবিন্যাস পরিবর্তন করার চেষ্টা করছেন, তাঁদের খুঁজে খুঁজে আইনের অধীনে আনতে হবে। ভারতে বসেই ভারতের ক্ষতি করা হচ্ছে।”

 

Advertisements