হাওড়ায় ১৬৩ ধারা জারি! ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থমথমে জেলা

দ্বিতীয় দফার আগে হাওড়ায় জারি ১৬৩ ধারা। জমায়েত, মিছিল ও প্রচারে নিষেধাজ্ঞা, শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা নজরদারি।

Howrah Section 163 Imposed

হাওড়া: বাংলায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘনিয়ে আসতেই উত্তেজনার পারদ চড়ছে। হাওড়া জেলায় শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নামল জেলা প্রশাসন। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকেই গোটা জেলায় জারি করা হয়েছে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা (যা আগে ১৪৪ ধারা হিসেবে পরিচিত ছিল)। জেলাশাসক ও জেলা নির্বাচন আধিকারিক পি. দীপাপ প্রিয়া এই সংক্রান্ত কড়া নির্দেশিকা জারি করেছেন।

Advertisements

কবে থেকে কার্যকর ও কী কী বিধিনিষেধ?

আগামী বুধবার, ২৯ এপ্রিল হাওড়ায় ভোটগ্রহণ। নিয়ম অনুযায়ী, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকেই ‘সাইলেন্স পিরিয়ড’ বা প্রচারহীন সময় শুরু হয়।

   

সময়সীমা: ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ জারি থাকবে।

জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা: পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বহিরাগত কোনও রাজনৈতিক কর্মী বা প্রচারক এই সময়ে জেলায় অবস্থান করতে পারবেন না।

Advertisements

প্রচার বন্ধ: কোনও রাজনৈতিক সভা, মিছিল, রোড-শো বা লাউডস্পিকার ব্যবহার করে প্রচার করা যাবে না।

অস্ত্র ও বাজি: লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র বা কোনও প্রকার অস্ত্র ও বিস্ফোরক বহন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জনবহুল এলাকায় বাজি ফাটানো যাবে না।

বুথ চত্বরে নিরাপত্তা Howrah Section 163 Imposed

ভোটের দিন বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও প্রকার পোস্টার, ফেস্টুন বা প্রচার চালানো যাবে না। মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি থাকছে। তবে জরুরি পরিষেবা, অ্যাম্বুলেন্স এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পরিবহণ এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্দেশ অমান্য করলে বা শান্তির বাতাবরণ বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলে আইনত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ রুট মার্চ শুরু করেছে।

আরও পড়ুন: ফিরছে কালবৈশাখী! আজ কোন কোন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডব?

তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র জগদ্দল থানা চত্বর, একাই লড়ছেন অর্জুন সিং

Advertisements