বারুইপুর: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে (Baruipur) এক বিজেপি (BJP) কর্মীকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় ব্যাপক রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম বাপি প্রামাণিক (৪৫)। ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুরের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়া এলাকায়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে ফোন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আঙুল উঠেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) দিকে। তবে খুনের নেপথ্যে দলেরই এক স্থানীয় নেতার হাত থাকার অভিযোগ ওঠায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
কী ঘটেছিল?
মৃতের পরিবারের দাবি, রবিবার রাতে বাপি প্রামাণিককে কেউ বা কারা ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপরই তাঁর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। তাঁকে বেধড়ক মারধর ও কোপানো হয় বলে অভিযোগ। এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, স্থানীয় একটি পুজো কমিটি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই এলাকায় তৃণমূলের সঙ্গে বাপির ঝামেলা চলছিল। সেই বিবাদের জেরেই শাসকদলের লোকজন তাঁকে পিটিয়ে খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অন্তর্দ্বন্দ্ব না তৃণমূলের যোগসাজশ?
বাপি প্রামাণিক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত সক্রিয় একজন বিজেপি কর্মী ছিলেন। পরিবারের দাবি, ভারতীয় জনতা পার্টি করার অপরাধে তিনি প্রায় ১০ বছর ঘরছাড়াও ছিলেন। তবে Najarbandi এবং BengalInfo-এর খবর অনুযায়ী, এই খুনের ঘটনায় উঠে এসেছে একটি চাঞ্চল্যকর ভিন্ন তত্ত্বও। একাংশের দাবি, এই খুনের নেপথ্যে তৃণমূল জড়িত থাকলেও, তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে দলেরই এক স্থানীয় নেতা। এই মর্মে স্থানীয় বিজেপি নেতা সুজন মণ্ডলের দিকে সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন নিহতের পরিজনদের একাংশ। যার ফলে রাজনৈতিক তরজার পাশাপাশি দলের অন্দরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টিও প্রকট হয়ে উঠেছে।
তদন্তে নেমেছে পুলিশ
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে পুলিশ এখনও সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চায়নি। তবে ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,
