কলকাতা: শালবনীতে জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেই তলবে সাড়া দিয়েই শনিবার সকালে রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক (পিএ) সুমিত রায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন সকাল ৯টা ৫৪ মিনিট নাগাদ তিনি ভবানী ভবনে পৌঁছন। তাঁর পৌঁছনোর পর থেকেই তদন্তকারী আধিকারিকরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন।
রাজ্য পুলিশের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল শালবনীর এই জমি দুর্নীতি মামলার তদন্ত করছে। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই সম্প্রতি সুমিত রায়কে হাজিরার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সূত্রের খবর, শালবনী এলাকায় জমি কেনাবেচায় বিপুল আর্থিক বেনিয়ম ও দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে, সেই বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতেই এই জিজ্ঞাসাবাদ। ওই জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেন কী ভাবে হয়েছিল এবং তার সঙ্গে প্রভাবশালীদের কোনও যোগ রয়েছে কি না, মূলত সেই দিকগুলোই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
তদন্তকারী আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আগে থেকেই একগুচ্ছ প্রশ্নের তালিকা প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। ওই জমি সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি এবং তথ্য তাঁর সামনে রেখে বয়ান রেকর্ড করা হতে পারে। একই সঙ্গে, এই মামলায় ইতিমধ্যেই যে সমস্ত তথ্যপ্রমাণ তদন্তকারীদের হাতে এসেছে, সেগুলির সঙ্গে তাঁর বয়ান মিলিয়ে দেখা হবে।
যেহেতু সুমিত রায় তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক, তাই এই তলব এবং জিজ্ঞাসাবাদ রাজনৈতিক দিক থেকেও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এ দিন সকাল থেকেই ভবানী ভবন চত্বরে সংবাদমাধ্যমের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। আপাতত সুমিতের বয়ান থেকে শালবনী জমি দুর্নীতির তদন্তে নতুন কোনও সূত্র উঠে আসে কি না, সে দিকেই নজর রয়েছে সকলের।
ট্রেনে ব্লাস্টের ষড়যন্ত্র-সীমান্তে নাশকতার ছক! শুভম-জসবিরের বিরুদ্ধে চার্জশিট NIA র
হাসিনার মন্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনও যোগ নেই, সাফ জানাল বিদেশ মন্ত্রক
