সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: বহু প্রত্যাশা নিয়ে গত সিজন শুরু করেছিল বেঙ্গালুরু এফসি (Bengaluru FC)। কিন্তু সেটা কার্যকরী হয়নি। সুপার কাপে দুরন্ত ফুটবল খেললেও শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ছিটকে যেতে হয়েছিল টুর্নামেন্ট থেকে। তারপর দেশের প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগ তথা আইএসএল হওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা থেকে গিয়েছিল অনেকটা সময়। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে দল ছেড়েছিলেন তৎকালীন কোচ সহ অন্যান্য বহু ফুটবলাররা। সেই সময় অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে রেনেডি সিং দায়িত্ব পালন করার পর পেপ মুনোজের তত্বাবধানে দেশের প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগে নেমেছিল বেঙ্গালুরু এফসি। টুর্নামেন্টের প্রায় প্রতিটি দলের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করার পর শেষ পর্যন্ত চতুর্থ স্থানে থেকেই মরসুম শেষ করেছিল একবারের আইএসএল জয়ীরা।
সেইসব এখন অতীত। এবার সাফল্য পাওয়াই লক্ষ্য। কর্নাটকের এই ফুটবল ক্লাবের। তবে গত কয়েক মাসে রাহুল ভেকের পাশাপাশি বেঙ্গালুরু এফসি ছেড়ে অন্যত্র যোগদান করেছেন একাধিক ফুটবলার। যেটা নিঃসন্দেহে চিন্তার সকলের কাছেই। তবে পরবর্তীতে দলবদলের বাজারে যথেষ্ট সক্রিয় হয়ে ওঠে বেঙ্গালুরু। শোনা যায় এক বিদেশি স্ট্রাইকারকে দলে টানতে চলেছে আইএসএল জয়ী এই ফুটবল ক্লাব। তিনি মিহাইলো পেরোভিচ। পূর্বে ইন্দোনেশিয়ার ফুটবল ক্লাব পার্সেবায়া সুরাবায়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বছর ঊনত্রিশের এই ফরোয়ার্ড। এছাড়াও এফকে জেজাজোর পাশাপাশি এনকে ওলিম্পিজা ও জোরিয়া লুগান্সের মতো ফুটবল ক্লাবের হয়ে ও খেলেছেন তিনি।
সব খতিয়ে দেখেই নাকি তাকে চাইছে ভারতের এই ফুটবল ক্লাব। তবে বিদেশি ফুটবলারদের সই করানোর পাশাপাশি এবার সোহম বর্ষণেয়র সঙ্গে আরও এক সিজনের চুক্তি বাড়িয়ে নিল বেঙ্গালুরু ফুটবল দল। পূর্বে বেঙ্গালুরু এফসির যুবদলের হয়ে খেলেছিলেন ফুটবলার। পরবর্তীতে দেশে প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগ তথা আইএসএলে ও সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। অল্প সময় খেললেও নজর কেড়েছেন ব্যাপকভাবে। তাই এই নয়া মরসুমে দেশের অনূর্ধ্ব ২৩ জাতীয় দলের এই উইঙ্গারকে রেখেই পরিকল্পনা সাজাচ্ছে ম্যানেজমেন্ট।
এই প্রসঙ্গে কোচ বলেন, ‘ সোহামের যে জিনিসটা আমার ভালো লাগে তা হলো, পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা, তার মুভমেন্ট, বল পায়ে তার স্থিরতা। এই জিনিসগুলো সহজে শেখানো যায় না। অনুশীলনেও সে একজন পরিশ্রমী ছেলে। সে ক্লাবের সাথে চুক্তি নবায়ন করায় আমি সত্যিই খুব খুশি।’
