সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: শেষ কয়েক সিজন ধরেই কলকাতা লিগে দাপুটে পারফরম্যান্স করে আসছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ক্লাব। গতবারের চূড়ান্ত সাফল্যের পর এবার ও জয় দিয়েই এই লিগ শুরু করেছিল দল। একের পর এক ম্যাচে সহজেই এসেছিল জয়। মাঝে কয়েকটি ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করলেও জয়ে ফিরতে খুব একটা অসুবিধা হয়নি অর্চিস্মান বিশ্বাসের ছেলেদের। যারফলে সহজেই সুপার সিক্স নিশ্চিত করে ফেলেছিল ময়দানের এই প্রধান। গ্ৰুপ পর্বের শেষ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব তথা মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের বিপক্ষে একটা সময় পিছিয়ে থাকলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ছেলেরা।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল করে দলকে সমতায় এনেছিলেন বিলাল। যা নিঃসন্দেহে মন জয় করেছিল সকল সমর্থকদের। তবে সুপার সিক্সের শুরুটা ভালো ছিল না তাদের জন্য। সপ্তাহ কয়েক আগেই নিজেদের ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের প্রথম ম্যাচে নেমেছিল মশাল ব্রিগেড। যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল শক্তিশালী ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাব। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে গোলশূন্য ফলাফলে শেষ হয়েছিল সেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। যারফলে খেতাব জয়ের দৌড়ে বেশ কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে ইস্টবেঙ্গল। তবে সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই দিতে মরিয়া ছেলেরা।
আগামীকাল বিকেলে কল্যাণী স্টেডিয়ামে সুপার সিক্সের পরবর্তী ম্যাচে নামবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে ময়দানের আরেক প্রধান তথা মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। গত ম্যাচে ভবানীপুরের বিরুদ্ধে সহজ জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল সাদা-কালো ব্রিগেড। যা নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে ফারদিন আলি থেকে শুরু করে ইসরাফিলদের। দ্বিতীয় ম্যাচে ও সেই ধারা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ থাকবে প্রত্যেকের। তবে লড়াইটা যে সহজ নয় সেটা ভালো মতোই জানেন শাহিদ রমন। সবদিক ভাবনা চিন্তা করেই সাজাবেন একাদশ।
পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বারাসত স্টেডিয়ামে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও দিন কয়েক আগে থেকেই সেই নিয়ে দেখা দিয়েছিল ব্যাপক জটিলতা। এই পরিস্থিতিতে অন্য ভেন্যুতে ম্যাচ সরে যাওয়ার কথা উঠে এসেছিল ব্যাপকভাবে। তবে বারাসতের বিকল্প হিসেবে পরবর্তীতে কল্যাণীতে এই ম্যাচ আয়োজনের জন্য আবেদন জানিয়েছিল বঙ্গীয় ফুটবল ফেডারেশন। সেখানেই মিলেছে পুলিশের অনুমতি। যারফলে কল্যাণীতে বসেই এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন সমর্থকরা।
