২০ সাংসদ যোগ দিয়েছে! দলের প্রতিষ্টাতা জানলেন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে

কলকাতা: তৃণমূলে ভাঙন ধরিয়ে ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ গতকাল (TMC)যোগ দিয়েছেন NCPI নামে একটি রাজনৈতিক দলে। ত্রিপুরা ভিত্তিক এই দলের প্রধান কার্যালয় হাওড়ার সাঁকরাইলে। আঞ্চলিক…

tmc-rebel-mps-join-ncpi-controversy

কলকাতা: তৃণমূলে ভাঙন ধরিয়ে ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ গতকাল (TMC)যোগ দিয়েছেন NCPI নামে একটি রাজনৈতিক দলে। ত্রিপুরা ভিত্তিক এই দলের প্রধান কার্যালয় হাওড়ার সাঁকরাইলে। আঞ্চলিক এই দলটি NDA জোটের সমর্থক বলেই বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা এই দলে যোগ দিয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে।

Advertisements

   

তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং জাতীয় সংগঠন সম্পাদক শান্তনু দে এই সাংসদ যোগের খবর পেয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। এই ঘটনায় ফের সরব হয়েছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাদের মতে তৃণমূলের বিদ্রোহীরা উৎসাহী ছিল তারা বিজেপির অনুগ্রহ পাবে কিন্তু এমন একটি দলে তাদের জায়গা দেওয়া হয়েছে যে দলের প্রতিষ্ঠাতাই কোনও খবর পাচ্ছেন না।

আরও দেখুনঃ https://kolkata24.in/west-bengal/satabdi-roy-slams-abhishek-banerjee/

শান্তনু দে বলেন, “আমি এই বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়া ও নিউজের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। আমি তাদের স্বাগত জানাই এবং আলোচনায় বসতে চাই। আমার দল যদি বড় হয়, তাহলে আমি অসন্তুষ্ট হব কেন? এটি তো আনন্দেরই বিষয়।” তিনি আরও জানান, এই সিদ্ধান্তটি দলের সভাপতি নিয়েছেন বলে শুনেছেন, তবে সভাপতি এখনও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। শান্তনু দে স্পষ্টভাবে বলেন, “আমি দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

Advertisements

দল বড় হলে দেশের জন্য আরও বেশি কাজ করতে পারব।”এনসিপিআই-এর এই নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, তাঁরা এনডিএ-র সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। “আমরা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সমর্থন করি এবং দেশের স্বার্থে এনডিএ-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করতে চাই,” এমনটাও বলেন তিনি। দলের অফিস রেজিস্ট্রেশন হয়েছে হাওড়ার ‘জাগো বিশ্ব’ ভবনে।

শান্তনু দে আরও জানান, “কাকলি দি (কাকলি ঘোষ দস্তিদার) যদি আমাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে আমরা অবশ্যই দিল্লি যাব। আমি আশাবাদী যে এনসিপিআই ও এই ২০ জনের মধ্যে আলোচনা হবে। শীঘ্রই আমরা একটি প্রেস মিট করব।”এই ঘটনা যেমন তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের ইঙ্গিত দিচ্ছে ঠিক তেমনই যারা বিজেপির অনুগ্রহ পেতে NDA জোটকে সমর্থন করতে গিয়েছেন তাদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ফুলস্টপ লেগে যেতে পারে এমনটাই আশংকা রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

Advertisements