শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য তৃণমূল প্রার্থী বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য

বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই ফের চমক তৃণমূলে। (Pabitra Kar)পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু নন্দীগ্রামে ফের বড় চমক দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত এই…

pabitra-kar-joins-tmc-nandigram-bjp-defection

বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই ফের চমক তৃণমূলে। (Pabitra Kar)পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু নন্দীগ্রামে ফের বড় চমক দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত এই এলাকাতেই এবার শাসক শিবিরে যোগ দিলেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা পবিত্র কর। মঙ্গলবার সকালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

Advertisements

পবিত্র কর নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বয়াল-১ গ্রামপঞ্চায়েতের সক্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় স্তরে তাঁর প্রভাব যথেষ্ট বলেই মনে করা হয়। এতদিন বিজেপির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও হঠাৎ করে দলবদলের এই সিদ্ধান্ত যে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নয়, বরং বৃহত্তর রাজনৈতিক ইঙ্গিত বহন করছে, তা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

   

আরও দেখুনঃ বাঁকুড়ায় বিজেপির তুরুপের তাস দৈনিক মজুরের স্ত্রী

তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই যোগদানের খবর প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, বিজেপির ক্রমাগত পতন এবং তৃণমূলের অগ্রযাত্রার আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার নিদর্শন এই যোগদান। বিশেষ করে নন্দীগ্রামের মতো সংবেদনশীল রাজনৈতিক এলাকায় এই ধরনের দলবদল নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে পবিত্র করের তৃণমূলে যোগদানকে ঘিরে দলীয় কর্মীদের মধ্যে উৎসাহও চোখে পড়ার মতো। তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁকে স্বাগত জানিয়ে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি আগামী দিনে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবেন।

Advertisements

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নন্দীগ্রাম শুধুমাত্র একটি বিধানসভা কেন্দ্র নয়, বরং এটি বাংলার রাজনৈতিক প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনের পর থেকে এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ অব্যাহত রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বিজেপির প্রাক্তন নেতার তৃণমূলে যোগদান নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে।

এদিকে, এই দলবদলকে কেন্দ্র করে বিজেপির অন্দরে অস্বস্তি বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও বিজেপির তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে এই ধরনের ঘটনা দলের সংগঠনকে প্রভাবিত করতে পারে। অন্যদিকে, তৃণমূল এই ঘটনাকে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধির প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে। তাদের দাবি, সাধারণ মানুষ এখন উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পক্ষে, তাই তারা বিজেপির রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। পবিত্র করের মতো স্থানীয় নেতাদের যোগদান সেই প্রবণতাকেই আরও স্পষ্ট করে দিচ্ছে।

Advertisements