ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই নেই! সূত্রের খবরে উস্কাল বিতর্ক

নয়াদিল্লি: শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করবেন না। (Dharmendra Pradhan)সূত্রের খবর অনুসারে, তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে থেকে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারে মনোনিবেশ করবেন। এই সিদ্ধান্ত…

dharmendra-pradhan-resignation

নয়াদিল্লি: শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করবেন না। (Dharmendra Pradhan)সূত্রের খবর অনুসারে, তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে থেকে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারে মনোনিবেশ করবেন। এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে মন্ত্রীর এই অবস্থান অনেককে অবাক করেছে।

Advertisements

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, তিনি মনে করেন শিক্ষা খাতে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পদত্যাগ করে সেগুলো থেকে সরে যাওয়ার চেয়ে দায়িত্ব নিয়ে সেগুলো সমাধান করাই সঠিক পথ। মন্ত্রী বলেছেন, “আমি পালিয়ে যাব না। শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ এবং যোগ্যতাভিত্তিক করার জন্য কাজ করব।”

   

আরও দেখুনঃ তথাকথিত ছাত্র বিক্ষোভে দাগি আসামিদের আটকাতে ফেস রিকগনিশন ব্যবহার পুলিশের

তাঁর এই মনোভাব সরকারের উচ্চ পর্যায়েও সমর্থিত হয়েছে।সম্প্রতি শিক্ষা খাতে নিয়োগ দুর্নীতি, পরীক্ষার অনিয়ম এবং অন্যান্য অভিযোগ উঠেছে। ছাত্র-যুবকরা এসব ইস্যুতে আন্দোলন করছেন। এর মধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি উঠলেও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, সমস্যা সমাধানের জন্যই তিনি দায়িত্বে থাকবেন। সরকারি সূত্র বলছে, মন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বড় ধরনের সংস্কার আনার পরিকল্পনা করছেন।

Advertisements

এর মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করা, পরীক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং শিক্ষার মান উন্নয়ন অন্যতম।শিক্ষামন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে অনেকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাঁরা বলছেন, সমস্যার সম্মুখীন হয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া সহজ। কিন্তু দায়িত্ব নিয়ে সংস্কার করা অনেক কঠিন কাজ। একজন শিক্ষাবিদ বলেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধান যদি সত্যিই শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজান, তাহলে ছাত্রসমাজ লাভবান হবে।

পদত্যাগ করে পালিয়ে যাওয়া কোনো সমাধান নয়।” অন্যদিকে, বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীরা এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলছেন, অনিয়মের অভিযোগ উঠলে মন্ত্রীর উচিত ছিল দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়া। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা আনার জন্য ইতিমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আরও দেখুনঃ ‘হাসিনার মত দেশ ছেড়ে পালাতে হবে মোদীকে!’ বিস্ফোরক শঙ্করাচার্য

নতুন নিয়োগ নীতি তৈরি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরীক্ষা পরিচালনা এবং অভিযোগের দ্রুত তদন্ত এসব ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হচ্ছে। ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজে বলেছেন যে, তিনি ছাত্রদের সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যাবেন। আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।

এই ঘটনা শিক্ষা খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনার সূচনা করেছে। লক্ষ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীর ভবিষ্যৎ এই খাতের সঙ্গে জড়িত। তাই সংস্কার যদি সত্যিকারের হয়, তাহলে দেশের যুবশক্তি উপকৃত হবে। ধর্মেন্দ্র প্রধানের সিদ্ধান্তকে কেউ দায়িত্বশীল বলছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন।

Advertisements