প্রার্থী বদলের দাবিতে নারায়ণগড় বিধানসভায় প্রতিবাদ বিজেপির

বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছে বিজেপির অন্দরে। (BJP Narayangarh)পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণগড় বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে সেই অসন্তোষ এবার প্রকাশ্যে এসেছে। প্রার্থী…

bjp-narayangarh-candidate-protest-kharagpur-vandalism-news

বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছে বিজেপির অন্দরে। (BJP Narayangarh)পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণগড় বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে সেই অসন্তোষ এবার প্রকাশ্যে এসেছে। প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ, এমনকি ভাঙচুরের ঘটনায় সরগরম হয়ে উঠেছে খড়গপুর।

Advertisements

শনিবার বিকেলে নারায়ণগড় এলাকার বিজেপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা মিছিল করে খড়গপুর শহরের জেলা বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছন। তাঁদের দাবি, ঘোষিত প্রার্থী রমাপ্রসাদ গিরি-কে অবিলম্বে সরাতে হবে। মিছিলটি প্রথমে কার্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভ দেখালেও পরে তারা ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ।

   

আরও দেখুনঃ Zomato থেকে খাবার অর্ডার করা আরও ব্যয়বহুল, ফের বাড়ল প্ল্যাটফর্ম ফি

বিক্ষোভকারীদের দাবি, প্রার্থী ঘোষণার দিন থেকেই তাঁরা জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু এতদিনেও কোনও সদর্থক পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। তাঁদের বক্তব্য, বর্তমান প্রার্থীকে নিয়ে এলাকায় সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়বে এবং নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিক্ষোভকারীরা জেলা সভাপতির সঙ্গে সরাসরি কথা বলার দাবি তোলেন। সেই দাবিতে তাঁরা কার্যালয়ের ভেতরেই অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে এই অচলাবস্থা। এদিকে, তাঁদের হুঁশিয়ারি যদি দ্রুত প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয়, তাহলে নারায়ণগড় বিধানসভার একাধিক মণ্ডল সভাপতি-সহ প্রায় ৩০০ কর্মী দল ছাড়তে পারেন।

Advertisements

ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ ভোটের আগে এই ধরনের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ যে দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। বিশেষ করে সংগঠনের নিচুতলার কর্মীদের এই ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসা বিজেপির জন্য অস্বস্তির কারণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এই প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সম্পাদক মনোজ দে জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যেই রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি ভাঙচুরের প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়ে বলেন, “দল বড় হলে কিছু ক্ষেত্রে ক্ষোভ-বিক্ষোভ থাকেই। আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হবে।” অন্যদিকে জেলা সভাপতি শমিত মন্ডল জানান, নারায়ণগড় এলাকার নেতৃত্বদের সঙ্গে বসে আলোচনা করা হবে এবং তারপরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।

Advertisements