নয়াদিল্লি: ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসে ফের উস্কাল বিতর্ক। (Vande Mataram)কংগ্রেস সদর দফতরে চলছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন। উপস্থিত ছিলেন রাহুল গান্ধী, সোনিয়া সহ মল্লিকার্জুন খড়গে। সেখানে বাজছিল ভারতের জাতীয় গান বন্দে মাতরম। গানের এক অংশে দেখা যায় সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী অস্থির হয়ে পড়েছেন গানটি সম্পূর্ণ না করেই বন্ধ করে দেওয়ার জন্য। এই ঘটনাতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক এবং এই বিতর্কে ঘৃতাহুতি দিয়েছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য।
অমিত মালব্য তাঁর পোস্টে লিখেছেন, নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে এখন সম্পূর্ণ জাতীয় গানকে সম্মান জানাতে হবে। (Vande Mataram)ইচ্ছাকৃত বাধা বা বিঘ্ন ঘটানো গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এই বার্তা স্পষ্ট। কয়েক দশক ধরে গান্ধী পরিবার ও কংগ্রেস সাংস্কৃতিকভাবে আত্মবিশ্বাসী এবং সভ্যতাগতভাবে শিকড়যুক্ত ভারতের ধারণার সঙ্গে অস্বস্তিকর সম্পর্ক দেখিয়েছে।
আরও দেখুনঃ ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে ‘এল নিনো’! চরম আবহাওয়ার আশঙ্কায় কাঁপছে ভারত-সহ গোটা বিশ্ব
সেই অস্বস্তিই স্বাধীনতা দিবসে উন্মোচিত হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে আইসিসি সদর দফতর ইন্দিরা ভবনে। সেখানে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে পতাকা উত্তোলন করেন। উপস্থিত ছিলেন সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে গান চলাকালীন নেতারা হাতের ইশারা করছেন।
এই ঘটনাতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিজেপি স্পষ্ট করে দিয়েছে (Vande Mataram)ভারতের জাতীয় গান বন্দে মাতরমের অপমান হলে তা আইনত অপরাধ। তার সঙ্গে তারা আরও বলেছেন ১৯৩৭ সালে মুসলিম লীগের আপত্তির কারণে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গানটির শেষ চারটি স্তবক যেগুলিতে মা দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর পৌরাণিক উল্লেখ রয়েছে জাতীয় অনুষ্ঠানে গাওয়ার ক্ষেত্রে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
আরও দেখুনঃ সেবকে তিস্তার উপর ৬ লেনের সেতু পরিকল্পনা! টেন্ডার ডাকল মোদী সরকার
বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ করেছে কংগ্রেস সেই ধারা অব্যাহত রাখতে চায়। কিন্তু সংসদের অধিবেশনে পাস হওয়া বিল অনুযায়ী এই জাতীয় গানটি সম্পূর্ণ গাইতে হবে এবং এই গানের অবমাননায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সুতরাং এখন এটাই দেখার এই ঘটনার পরে সরকারের তরফ থেকে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
