চেন্নাই: তামিলনাড়ু সরকার সরকারি কর্মচারী নারীদের জন্য তৃতীয় সন্তানের (maternity leave)ক্ষেত্রেও এক বছরের পূর্ণ বেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই রাজ্যের জনসংখ্যা নীতির এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন। একসময় যেখানে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণই ছিল মূল লক্ষ্য, সেখানে এখন ‘জনসংখ্যা পুনরুজ্জীবন’ বা বেবি বুমের কথা উঠে আসছে।
মঙ্গলবার রাজ্য বিধানসভায় মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী ডি. শরৎকুমার তাঁর দফতরের (maternity leave)অনুদান সংক্রান্ত আলোচনার সময় এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, তামিলনাড়ু সরকার কল্যাণমুখী প্রশাসন এবং নারী ক্ষমতায়নের ওপর জোর দেয়। সেই কারণেই সরকারি নারী কর্মচারীদের তৃতীয় সন্তানের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি বর্তমান ১২ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ৩৬৫ দিন করা হচ্ছে।
আরও দেখুনঃ মিড-ডে মিলে নুনের বদলে ডিটারজেন্ট পাউডার! অসুস্থ অন্তত ৪০ স্কুল পড়ুয়া
এতদিন প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের জন্য এক বছরের ছুটি (maternity leave)পাওয়া যেত, কিন্তু তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে তা সীমিত ছিল মাত্র ৮৪ দিনে। এখন সেই বৈষম্য দূর হলো। বিস্তারিত সরকারি আদেশ শিগগিরই জারি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।এই পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে গভীর জনসংখ্যাগত উদ্বেগ। তামিলনাড়ুর মোট প্রজনন হার বা টিএফআর এখন মাত্র ১.৩-এ নেমে এসেছে, যা ১৯৭১ সালে ছিল ৩.৯।
প্রতিস্থাপন স্তর ২.১-এর অনেক নিচে চলে গেছে এই হার। এর ফলে রাজ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে প্রায় ১৬ শতাংশ মানুষ ৬০ বছরের বেশি বয়সী। (maternity leave)আগামী এক দশকে এই হার আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কম শিশু জন্ম নেওয়ায় এবং আয়ু বৃদ্ধির কারণে রাজ্য ধীরে ধীরে বার্ধক্যমুখী সমাজে পরিণত হচ্ছে। জনসংখ্যা ২০১১ সালে ছিল প্রায় ৭.২ কোটি, যা ত্রিশের দশকের শুরুতে সর্বোচ্চ ৭.৮ কোটি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, কিন্তু এরপর কমতে শুরু করবে যদি প্রজনন হার না বাড়ে।
আরও দেখুনঃ স্কুল সংযুক্তিকরণ মানি না! ভোপালে পথে ‘জেন আলফা’ পড়ুয়ারা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেজি অরুণরাজ সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, জন্মহার কমে যাওয়া এক বড় জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। প্রতিস্থাপন স্তর বজায় রাখতে হবে এবং এর জন্য বিভিন্ন দফতরের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে হবে।
শুধু প্রণোদনা নয়, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কারণগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। এই প্রেক্ষাপটেই সরকারের নতুন মাতৃত্বকালীন ছুটির সিদ্ধান্তকে দেখা হচ্ছে। অনেকের মতে, এটি শুধু নারীদের সুবিধা নয়, বরং পরিবারকে তৃতীয় সন্তান নেওয়ার দিকে উৎসাহি
