দক্ষিণ ভারতের রেল পরিবহনে ১০,০২১ কোটি অনুমোদন! এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

নয়াদিল্লি: দক্ষিণ ভারতের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসছে। (railway projects)কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটি প্রায় ১০,০২১ কোটি টাকার পাঁচটি বড় রেল প্রকল্প অনুমোদন করেছে।…

south-india-railway-projects

নয়াদিল্লি: দক্ষিণ ভারতের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসছে। (railway projects)কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিটি প্রায় ১০,০২১ কোটি টাকার পাঁচটি বড় রেল প্রকল্প অনুমোদন করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে এই ঘোষণার ওঠা জানিয়েছেন। এই প্রকল্পগুলো তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানায় বাস্তবায়িত হবে।

Advertisements

   

এর ফলে রেল নেটওয়ার্কে প্রায় ৫৪০ কিলোমিটার নতুন ট্র্যাক যোগ হবে এবং লাখ লাখ মানুষ উপকৃত হবেন।এই পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে আরক্কোনাম-রেনিগুন্টায় তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন (৭৭ কিমি), হোয়াইটফিল্ড-বাঙ্গারাপেটে তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন (৪৭ কিমি), হোসুর-ওমালুরে ডাবলিং (১৪৭ কিমি), সালেম-কারুর-দিন্ডিগুল ডাবলিং (১৫৯ কিমি) এবং সিকন্দরাবাদ (ঘাটকেসর)-কাজিপেট মাল্টি-ট্র্যাকিং (১১০ কিমি)।

আরও দেখুনঃ সাক্ষরতার নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল কংগ্রেস শাসিত রাজ্য হিমাচল

Advertisements

এই কাজগুলো ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা।প্রকল্পগুলো ১৭টি জেলায় ছড়িয়ে থাকবে এবং প্রায় ২,১২১টি গ্রামের সঙ্গে রেল সংযোগ উন্নত করবে। এই অঞ্চলগুলোর মোট জনসংখ্যা প্রায় ৫২ লাখ। যাত্রী পরিবহন আরও দ্রুত ও সুবিধাজনক হবে। একইসঙ্গে মালবাহী ট্রেনের ধারণক্ষমতাও বাড়বে। বছরে অতিরিক্ত ৪৭ মিলিয়ন টন মাল পরিবহনের সক্ষমতা তৈরি হবে।

কয়লা, সিমেন্ট, লোহা-ইস্পাত, কন্টেইনার, অটোমোবাইল, খাদ্যশস্য, পেট্রোলিয়াম ও সার পরিবহনে সুবিধা হবে।যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী হলে লজিস্টিক খরচ কমবে।(railway projects) জ্বালানি সাশ্রয় হবে প্রায় ৮ কোটি লিটার এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমবে প্রায় ৪২ কোটি কেজি। এটি পরিবেশের জন্যও ইতিবাচক। তিরুপতি, কোডাইকানাল, হোজেনাক্কাল জলপ্রপাত, মেট্টুর ড্যামসহ বেশ কয়েকটি পর্যটন ও তীর্থস্থানে পৌঁছানো সহজ হবে।

দক্ষিণ ভারতের অর্থনীতি কৃষি, শিল্প ও পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। (railway projects)ভালো রেল সংযোগ ব্যবসা-বাণিজ্যকে চাঙ্গা করবে, কর্মসংস্থান বাড়াবে এবং আঞ্চলিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। যাত্রীরা কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাবেন। মাল পরিবহন মসৃণ হলে উৎপাদন খরচ কমবে।মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় রেলের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ।

দক্ষিণ ভারতের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে আরও ভালো রেল সেবার অপেক্ষায় ছিলেন। এই প্রকল্পগুলো সেই প্রত্যাশা পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সময়মতো কাজ শেষ হলে লাখ লাখ মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। রেলপথ শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, উন্নয়নের সেতুও বটে।

Advertisements