আইপিএল এ বাংলাদেশ বয়কটের ডাকে প্রতিবাদ শিবসেনার

গুরুগ্রাম: বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচারের (Shiv Sena IPL boycott)অভিযোগ তুলে শিবসেনার হরিয়ানা ইউনিট আইপিএল-এ বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে…

shiv-sena-haryana-ipl-boycott-bangladeshi-players

গুরুগ্রাম: বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচারের (Shiv Sena IPL boycott)অভিযোগ তুলে শিবসেনার হরিয়ানা ইউনিট আইপিএল-এ বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছে যে, যতক্ষণ না বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়, ততক্ষণ আইপিএলে কোনো বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে খেলতে দেওয়া হবে না।

Advertisements

গুরুগ্রামে বড় ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে, যাতে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে চাপ দেওয়া হবে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নিলামে না নেওয়ার জন্য। এই ঘোষণা ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং আইপিএল ২০২৬-এর প্রস্তুতির মধ্যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

   

২০২৬ সালে WhatsApp আনছে AI, বাড়তি নিরাপত্তা ফিচারে

শিবসেনা (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে) হরিয়ানা ইউনিটের নেতা রাজীব মালিক গুরুগ্রামে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু মন্দিরে হামলা, মূর্তি ভাঙচুর, বাড়িঘরে লুটপাট এসবের প্রতিবাদে আমরা চুপ করে থাকতে পারি না। আইপিএল ভারতের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট উৎসব। সেখানে যদি বাংলাদেশি খেলোয়াড়রা খেলেন, তাহলে তা আমাদের কাছে অগ্রাহ্য।

Advertisements

আমরা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে অনুরোধ করছি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নিলামে না নিতে। না হলে গুরুগ্রামে বড় প্রতিবাদ হবে।” তিনি আরও বলেন যে, প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ হবে, কিন্তু দৃঢ়। দলের কর্মীরা আইপিএল ম্যাচের ভেন্যুতে ব্যানার-পোস্টার নিয়ে দাঁড়াবেন এবং বয়কটের দাবি তুলবেন।এই ঘোষণার পিছনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা।

শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে দেশটিতে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মন্দির ভাঙচুর, বাড়িতে আগুন, জোর করে ধর্মান্তরের খবর ভারতের মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। বিজেপি এবং আরএসএস-সহ বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এ নিয়ে প্রতিবাদ করেছে। শিবসেনা এবার সেই প্রতিবাদকে ক্রিকেটের ময়দানে নিয়ে গেল।

আইপিএলে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নতুন নয়। সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান, লিটন দাসের মতো তারকারা কলকাতা নাইট রাইডার্স, চেন্নাই সুপার কিংসের মতো দলে খেলেছেন। সাকিব তো কেকেআর-এর অধিনায়কও হয়েছিলেন। কিন্তু এবারের বয়কটের ডাকে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো কী করবে, সেটাই বড় প্রশ্ন। বিসিসিআই এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি। সূত্রমতে, বোর্ডের অবস্থান হল খেলোয়াড় নির্বাচন পুরোপুরি ফ্র্যাঞ্চাইজির হাতে। কিন্তু রাজনৈতিক চাপ বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।

Advertisements