শনিবারের ভোরেই যোগী রাজ্যে গুঁড়িয়ে গেল সরকারি জমিতে অবৈধ মসজিদ

সাহারানপুর: উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে জেলা (Illegal Mosque)কালেক্টরেট কমপ্লেক্সের ভিতরে অবস্থিত এক অবৈধ মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। শনিবার ভোরবেলা ভারী পুলিশ মোতায়েনের মধ্যে এই অভিযান চালানো…

saharanpur-illegal-mosque-demolition

সাহারানপুর: উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে জেলা (Illegal Mosque)কালেক্টরেট কমপ্লেক্সের ভিতরে অবস্থিত এক অবৈধ মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। শনিবার ভোরবেলা ভারী পুলিশ মোতায়েনের মধ্যে এই অভিযান চালানো হয়। সিটি ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আগে এই কাঠামোকে অবৈধ ঘোষণা করে ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছিল। পরে জেলা জজের আদালত আপিল খারিজ করায় অভিযান সম্ভব হয়।কালেক্টরেট চত্বরকে প্রায় দুর্গে পরিণত করা হয়।

Advertisements

সব প্রবেশপথ বন্ধ রাখা হয় এবং সাধারণ মানুষসহ আইনজীবীদেরও ঢুকতে দেওয়া হয়নি। প্রাদেশিক সশস্ত্র কনস্ট্যাবুলারি ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের কয়েকটি কোম্পানি মোতায়েন করা হয় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।এই মসজিদ সরকারি জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত বলে আদালত রায় দিয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ মোদী উদ্বোধন করলেও ৬ মাস ব্যবহার করা যাবে না হাইওয়ে! নির্দেশ জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের

বজরং দলের সাবেক প্রাদেশিক সমন্বয়কের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা শুরু হয়। সিটি ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত জুলাই মাসে কাঠামোকে (Illegal Mosque)অবৈধ ঘোষণা করে ধ্বংসের নির্দেশ দেয় এবং প্রায় ৬.৪১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণেরও আদেশ দেয়। মসজিদ কমিটি আপিল করলে জেলা আদালত সেটি খারিজ করে।বিরোধী দলগুলো এই অভিযানের সমালোচনা করেছে। তাঁরা সরকারকে ‘ঘৃণার রাজনীতি’ করার অভিযোগ এনেছেন এবং সামাজিক সম্প্রীতি দুর্বল করার অভিযোগ তুলেছেন।

Advertisements

সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ইকরা হাসান সাহারানপুরে আসার চেষ্টা করলে তাঁকে গৃহবন্দি করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। কংগ্রেস সাংসদও আইনি লড়াইয়ের হুমকি দিয়েছেন।প্রশাসন জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনেই অভিযান চালানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ানো রোধেও নজরদারি বাড়ানো হয়।

স্থানীয় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। (Illegal Mosque)সরকারি সম্পত্তিতে অবৈধ নির্মাণ অপসারণের এই ঘটনা আবারও আলোচনায় এনেছে। আদালতের রায় অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি। বিরোধীরা তবে এর সময় ও পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সাহারানপুরের এই ঘটনা রাজ্যের অন্যান্য জায়গায়ও সরকারি জমি দখল নিয়ে নজরদারি বাড়াতে পারে।

স্থানীয় মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ আইন মেনে চলার কথা বলছেন, কেউ সামাজিক সম্প্রীতির ওপর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রশাসন বলছে, ভবিষ্যতেও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাহারানপুরের কালেক্টরেট চত্বর এখন খালি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রয়েছে।

Advertisements