অ্যাকশন মোডে NIA! গ্রেফতার অস্ত্রপাচার করা পলাতক ভৈরব ত্রিপাঠী

নয়াদিল্লি: জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ বৃহস্পতিবার এক পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে (Bhairav Tripathi)। তার নাম ভৈরব ত্রিপাঠী। তিনি মুজফ্ফরপুরের সাহেবগঞ্জের বাসিন্দা এবং জগত নারায়ণ ত্রিপাঠীর…

nia-bhairav-tripathi-arrest

নয়াদিল্লি: জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ বৃহস্পতিবার এক পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে (Bhairav Tripathi)। তার নাম ভৈরব ত্রিপাঠী। তিনি মুজফ্ফরপুরের সাহেবগঞ্জের বাসিন্দা এবং জগত নারায়ণ ত্রিপাঠীর ছেলে। এই গ্রেফতার এনআইএর আরসি-১১/২০২৪/এনআইএ/ডিএলআই মামলার সঙ্গে যুক্ত, যেখানে বিহারের মুজফ্ফরপুর থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছিল।

Advertisements

ভৈরব ত্রিপাঠী (Bhairav Tripathi)অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে নাগাল্যান্ড থেকে বিহারে নিষিদ্ধ অস্ত্র ও রাইফেল পাচারের পরিকল্পনা করেছিলেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল জনশান্তি ও নিরাপত্তা নষ্ট করা এবং জাতীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলা।এই মামলাটি শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। এর উৎস মুজফ্ফরপুরের ফাকুলি থানার ১৯/২০২৪ নম্বর মামলা, যা ৭ মে ২০২৪ তারিখে দায়ের করা হয়েছিল।

   

আরও দেখুনঃ ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সৌদি-তুরস্ক কতটা পাশে থাকবে! সন্দেহ বিশেষজ্ঞদের

ফাকুলি থানার পুলিশ মুরঘাটিয়া ব্রিজ এলাকা থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করেছিল, যার সঙ্গে লেন্স ও গোলাবারুদও ছিল। তখন চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে এনআইএ মামলাটি নিজের হাতে নেয় এবং গভীর তদন্ত শুরু করে।তদন্ত শেষে এনআইএ ইতিমধ্যে একাধিক অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। ২০২৫ সালের ৮ মে প্রথম সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করা হয় চার অভিযুক্ত বিকাশ কুমার, সত্যম কুমার, দেবমণি রাই ও আহমদ আনসারির বিরুদ্ধে।

Advertisements

তাদের বিরুদ্ধে আইপিসির ১২০বি ধারা এবং ইউএপিএ-র ১৩ ও ১৮ ধারা প্রয়োগ করা হয়। এরপর ২০২৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় সম্পূরক চার্জশিট দাখিল হয় মনজুর খানের বিরুদ্ধে। তাকে আইপিসির ১২০বি, আর্মস অ্যাক্টের ২৫(১এএ), ২৬ ও ৩৫ ধারা এবং ইউএপিএ-র ১৩ ও ১৮ ধারায় অভিযুক্ত করা হয়। সর্বশেষ ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তৃতীয় সম্পূরক চার্জশিট দাখিল হয় কুন্দন কুমার ওরফে কুন্দন ভগততের বিরুদ্ধে একই ধারায়।

আরও দেখুনঃ পাক ঘাঁটিতে চিন-তুরস্কের টানা ৬০ ঘণ্টার সামরিক ‘এয়ারলিফ্ট’, সতর্ক দিল্লি

এইসব অভিযোগপত্রের পরও তদন্ত থেমে থাকেনি। এনআইএ জানিয়েছে, আরও তদন্ত চলছে। ভৈরব ত্রিপাঠী (Bhairav Tripathi)দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। তার গ্রেফতার এই মামলার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। অস্ত্র পাচারের এই চক্রটি শুধু স্থানীয় অপরাধ নয়। এটি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। নাগাল্যান্ডের মতো সীমান্তবর্তী রাজ্য থেকে নিষিদ্ধ অস্ত্র বিহারে আনা এবং সেখান থেকে অন্যত্র ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে বিপন্ন করতে পারে।

Advertisements