বাগাহা: নেপাল থেকে ধেয়ে আসা বন্যার জলে ভেসে আসছে অদ্ভুত দর্শন সব অচেনা মাছ। আর স্রোতের জলে ভেসে আসা সেই মাছ ধরে খাওয়ার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন একের পর এক বাসিন্দা। পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হওয়ায় এবার কড়া সতর্কতা জারি করল বিহার প্রশাসন। বাগাহার মহকুমা শাসক (SDM) চাঁদনি কুমারী এবং বিহারের পশুপালন ও মৎস্য দফতরের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, বন্যার জলে ভেসে আসা এই ধরনের অচেনা মাছ ধরা, বিক্রি করা বা খাওয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
আচমকা কোথা থেকে এল এই মাছ?
প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যার প্রবল স্রোতে নদী, পুকুর বা অন্যান্য জলাশয়ের মাছ তাদের নিজস্ব প্রাকৃতিক বাসস্থান থেকে বহু দূরে ভেসে যায়। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে তারা নিকাশি নালার দূষিত জল, মৃত পশুর দেহ এবং অন্যান্য বিষাক্ত বর্জ্যের সংস্পর্শে আসে। যার ফলে ওই মাছগুলির শরীরে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং ছত্রাকের (ফাঙ্গাস) মারাত্মক সংক্রমণ ঘটে।
কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে?
দূষিত জলে ভেসে আসা এই মাছ খেলে সাধারণ মানুষের মারাত্মক পেটের রোগ-সহ নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই বাগাহার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা এই মাছ খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাই যতক্ষণ না বন্যার জল নামছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, ততক্ষণ বন্যার জল থেকে ধরা কোনও মাছ না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।
বিশেষ করে যে মাছগুলি দেখতে অদ্ভুত বা অচেনা, সেগুলির ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা নিতে বলা হয়েছে। মৎস্য দফতরের তরফে ওই মাছগুলির প্রজাতি ও খাওয়ার উপযুক্ত কিনা তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে এই মাছ কেনাবেচা থেকে পুরোপুরি বিরত থাকতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,
