মোদীর বড় সিদ্ধান্তে ৭ বুলেট ট্রেন করিডোরের ঘোষণায় নয়া মাইলফলক

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারতের পরিবহন ব্যাবস্থায় নতুন মাইলফলক (Bullet Train)। সরকার সদ্য অনুমোদন করেছে সাতটি নতুন বুলেট ট্রেন করিডর। এই প্রকল্পগুলো দেশের বিভিন্ন…

modi-approves-seven-new-bullet-train-corridors-india

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারতের পরিবহন ব্যাবস্থায় নতুন মাইলফলক (Bullet Train)। সরকার সদ্য অনুমোদন করেছে সাতটি নতুন বুলেট ট্রেন করিডর। এই প্রকল্পগুলো দেশের বিভিন্ন প্রধান শহরকে ঘণ্টার পর ঘণ্টার দূরত্বকে মিনিটে নামিয়ে আনবে। মোট প্রায় ৪,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নেটওয়ার্কে বিনিয়োগ হবে প্রায় ১৬ লক্ষ কোটি টাকা। আগামী দশ বছরের মধ্যে এগুলো সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নিয়ে রেল মন্ত্রক কাজ শুরু করতে চলেছে।

Advertisements

এই সাতটি করিডর হল মুম্বই-আহমেদাবাদ (ইতিমধ্যে নির্মাণাধীন, ১ ঘণ্টা ৫৭ মিনিট), মুম্বই-পুনে (৪৮ মিনিট), বেঙ্গালুরু-চেন্নাই (৭৩ মিনিট), বেঙ্গালুরু-হায়দরাবাদ (২ ঘণ্টা ১০ মিনিট), পুনে-হায়দরাবাদ (২ ঘণ্টা ৮ মিনিট), দিল্লি-লক্ষ্ণৌ (২ ঘণ্টা) এবং দিল্লি-বারাণসী (৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট)। এছাড়া দিল্লি-শিলিগুড়ি করিডরটি প্রায় ৬ ঘণ্টায় পাড়ি দেবে। এই প্রকল্পগুলো শুধু যাতায়াতের সময় কমাবে না, বরং অর্থনৈতিক করিডর হিসেবে কাজ করবে।

   

আরও দেখুনঃ সীমান্তে বড় সাফল্য! AK-47 সহ ২৬ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, গ্রেফতার ১

মুম্বইয়ের ব্যস্ত অফিস থেকে বেরিয়ে পুনের আইটি হাবে পৌঁছাতে লাগবে মাত্র ৪৮ মিনিট। ব্যবসায়ীরা একদিনে দুই শহরে মিটিং সেরে ফিরতে পারবেন। বেঙ্গালুরু-চেন্নাই রুটে ৭৩ মিনিটে যাতায়াত সম্ভব হলে দক্ষিণ ভারতের দুই প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র আরও কাছাকাছি চলে আসবে। হায়দরাবাদের সঙ্গে বেঙ্গালুরু ও পুনের যোগাযোগ ঘনিষ্ঠ হবে, যা প্রযুক্তি, উৎপাদন ও সেবা খাতকে নতুন গতি দেবে।

উত্তরে দিল্লি থেকে লক্ষ্ণৌ মাত্র দু’ঘণ্টায় এবং বারাণসী তিন ঘণ্টারও কম সময়ে পৌঁছানো যাবে। শিলিগুড়ি পর্যন্ত ৬ ঘণ্টার যাত্রা পূর্ব ভারতের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগকে বদলে দেবে।রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন, এই প্রকল্পগুলো ‘গ্রোথ কানেক্টর’ হিসেবে কাজ করবে। মুম্বই-আহমেদাবাদ প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নতুন করিডরগুলো মিশন মোডে এগোবে।

Advertisements

জমি অধিগ্রহণ, অনুমোদন এবং নির্মাণের কাজ একসঙ্গে চালানো হবে যাতে দেরি না হয়। সরকারের লক্ষ্য প্রতি বছর গড়ে ৫০০ কিলোমিটার হাই-স্পিড রেল চালু করা। ২০৩৯-৪০ সাল নাগাদ ৭,০০০ কিলোমিটার এবং দীর্ঘমেয়াদে আরও বেশি নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

Advertisements