বিশ্বের প্রথম ৫জি স্ট্যান্ডঅ্যালোন আর্কিটেকচার! বিশ্বমঞ্চে নয়া পুরস্কার পেল JIO

নয়াদিল্লি: রিলায়েন্স জিও এবং আমেরিকার টেলিকম জায়ান্ট টি-মোবাইল (Jio T-Mobile)বিশ্বের প্রথম ৫জি স্ট্যান্ডঅ্যালোন আর্কিটেকচার বা ৫জি এসএ রোমিং সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এই অর্জন টেলিকম প্রযুক্তির…

jio-t-mobile-5g-sa-roaming

নয়াদিল্লি: রিলায়েন্স জিও এবং আমেরিকার টেলিকম জায়ান্ট টি-মোবাইল (Jio T-Mobile)বিশ্বের প্রথম ৫জি স্ট্যান্ডঅ্যালোন আর্কিটেকচার বা ৫জি এসএ রোমিং সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এই অর্জন টেলিকম প্রযুক্তির ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক হয়ে উঠেছে। এতদিন ৫জি রোমিং মূলত নন-স্ট্যান্ডঅ্যালোন পদ্ধতিতে সীমাবদ্ধ ছিল।

Advertisements

এবার সম্পূর্ণ স্ট্যান্ডঅ্যালোন আর্কিটেকচারের মাধ্যমে রোমিং সম্ভব হওয়ায় ব্যবহারকারীরা আরও দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের অভিজ্ঞতা পাবেন।৫জি এসএ বা স্ট্যান্ডঅ্যালোন আর্কিটেকচার হলো ৫জি প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গ রূপ। এতে পুরনো ৪জি নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করতে হয় না। সম্পূর্ণ নতুন কোর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে উচ্চ গতি, কম ল্যাটেন্সি এবং বেশি ডিভাইস সংযোগের সুবিধা পাওয়া যায়। রোমিংয়ের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা মানে এক দেশের ব্যবহারকারী অন্য দেশে গিয়েও একই মানের ৫জি সেবা উপভোগ করতে পারবেন।

   

আরও দেখুনঃ আমেরিকায় বজরংবলীর মূর্তি ভেঙে ফেলা নিয়ে বিস্ফোরক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সেনা অভিজ্ঞ

জিও এবং টি-মোবাইলের এই সফল পরীক্ষা (Jio T-Mobile)সেই সম্ভাবনাকে বাস্তব করে তুলেছে।এই সহযোগিতার ফলে ভারতীয় ব্যবহারকারীরা যখন আমেরিকায় যাবেন, তখন টি-মোবাইলের নেটওয়ার্কে নির্বিঘ্নে ৫জি এসএ সেবা পাবেন। একইভাবে আমেরিকান ব্যবহারকারীরা ভারতে এলে জিওর নেটওয়ার্কে একই সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্য এটি একটি বড় সুবিধা।

Advertisements

ভিডিও কল, অনলাইন গেমিং, লাইভ স্ট্রিমিং বা অফিসের কাজ সবকিছুই এখন বিদেশে গিয়েও ঘরের মতো দ্রুতগতির সংযোগে করা যাবে।টেলিকম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অর্জন শুধু প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দুই দেশের ডিজিটাল সেতুবন্ধনের প্রতীক। ভারত ও আমেরিকার মধ্যে ব্যবসা, শিক্ষা, পর্যটন ও পারিবারিক যোগাযোগ ক্রমশ বাড়ছে। নিরবচ্ছিন্ন ৫জি রোমিং সেই যোগাযোগকে আরও মজবুত করবে।

বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীরা উপকৃত হবেন, কারণ তাঁদের ডেটা-নির্ভর (Jio T-Mobile)কাজ এখন আর নেটওয়ার্ক পরিবর্তনের ঝামেলায় বাধাগ্রস্ত হবে না।জিও ইতিমধ্যেই ভারতে ৫জি সেবা দ্রুত ছড়িয়ে দিয়েছে। দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় তাদের নেটওয়ার্ক পৌঁছে গেছে। টি-মোবাইলও আমেরিকায় ৫জি এসএ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে এগিয়ে রয়েছে। দুই কোম্পানির এই যৌথ সাফল্য দেখিয়ে দিয়েছে যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রযুক্তির সীমানা আরও প্রসারিত করা যায়।

বিশ্বের প্রথম সফল ৫জি এসএ রোমিং হওয়ায় অন্যান্য টেলিকম কোম্পানিগুলোও এখন এই পথে এগোতে উৎসাহিত হবে।সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এর অর্থ হলো আরও ভালো অভিজ্ঞতা। রোমিংয়ে গিয়ে নেটওয়ার্ক ধীর হয়ে যাওয়া বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার অভিযোগ এখন অনেকটাই কমবে। উচ্চ গতির ডেটা, পরিষ্কার ভয়েস কল এবং দ্রুত এসএমএস সবকিছুই আরও নির্ভরযোগ্য হবে।

ভবিষ্যতে যখন ইন্টারনেট অব থিংস বা স্মার্ট ডিভাইসের ব্যবহার বাড়বে, (Jio T-Mobile)তখন এ ধরনের উন্নত রোমিং ব্যবস্থা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।এই সাফল্য ভারতের টেলিকম শিল্পের জন্যও গর্বের বিষয়। জিও বিশ্বমঞ্চে প্রযুক্তিগত নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছে। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে ৫জি সেবা চালু করে এবং এখন আন্তর্জাতিক রোমিংয়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে কোম্পানিটি দেখিয়ে দিয়েছে যে ভারতীয় প্রযুক্তি বিশ্বমানের। টি-মোবাইলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব সেই বিশ্বমানকে আরও প্রতিষ্ঠিত করেছে।

Advertisements